Class 6 History Chapter 9 Question Answer নিয়ে আজকের এই সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব। ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস বইয়ের নবম অধ্যায় “ভারত ও সমকালীন বহির্বিশ্ব” থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলি এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যায়ের ভেবে দেখো খুঁজে দেখো, অতি সংক্ষিপ্ত, সংক্ষিপ্ত, ৩ নম্বর এবং ৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কাজে লাগবে।
Class 6 History Chapter 9 Question Answer
অধ্যায়: ভারত ও সমকালীন বহির্বিশ্ব
শ্রেণি: ষষ্ঠ
বিষয়: ইতিহাস
অধ্যায়: নবম অধ্যায়
বোর্ড: WBBSE
ভেবে দেখো খুঁজে দেখো প্রশ্ন উত্তর
১। বেমানান শব্দটি খুঁজে বের করো
১.১) ভৃগুকচ্ছ, কল্যাণ, সোপারা, তাম্রলিপ্ত
উত্তর: তাম্রলিপ্ত। কারণ ভৃগুকচ্ছ, কল্যাণ ও সোপারা পশ্চিম উপকূলের বন্দর ছিল। তাম্রলিপ্ত ছিল পূর্ব উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
১.২) বুদ্ধযশ, কুমারজীব, পরমার্থ, সুয়ান জাং
উত্তর: সুয়ান জাং। কারণ বুদ্ধযশ, কুমারজীব ও পরমার্থ ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে চিনে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে সুয়ান জাং চিন থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিলেন।
১.৩) আলেকজান্ডার, সেলিউকাস, কনিষ্ক, মিনান্দার
উত্তর: কনিষ্ক। কারণ আলেকজান্ডার, সেলিউকাস ও মিনান্দার গ্রিক শাসক ছিলেন। কনিষ্ক ছিলেন কুষাণ শাসক।
২। ক-স্তম্ভের সঙ্গে খ-স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো
| ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
|---|---|
| নকস-ই-রুস্তম | প্রথম দরায়বৌষ |
| ভৃগুকচ্ছ | নর্মদা নদী |
| প্রথম অ্যান্টিওকস | সিরিয়া |
৩। সঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো
৩.১) হেরোডোটাসের মতে ইন্দুস ছিল পারসিক সাম্রাজ্যের একটি – প্রদেশ।
৩.২) ইন্দো-গ্রিক বলা হতো – ব্যাকট্রিয়ার অধিবাসীদের।
৩.৩) সেন্ট থমাস খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিলেন – গন্ডোফারনেসের আমলে।
৪। নিজের ভাষায় ভেবে লেখো
৪.১) আলেকজান্ডারের ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযানের কি মৌর্য সাম্রাজ্য গড়ে ওঠার উপরে কোনো প্রভাব ছিল?
উত্তর: আলেকজান্ডারের ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান সরাসরি খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। তবে তাঁর অভিযানের ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতের অনেক ছোটো ছোটো শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে মগধের শক্তি বিস্তার সহজ হয়েছিল। তক্ষশিলার রাজা অম্ভি আলেকজান্ডারকে সহযোগিতা করেছিলেন। তাই পরোক্ষভাবে আলেকজান্ডারের অভিযান মৌর্য সাম্রাজ্য গড়ে ওঠার পথ কিছুটা সহজ করেছিল বলে মনে করা হয়।
৪.২) শক-কুষাণরা আসার আগে ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতিতে কী কী বিষয় খুঁজে পাওয়া যায় না?
উত্তর: শক-কুষাণদের আগমনের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে কয়েকটি বিষয়ের প্রচলন তেমনভাবে দেখা যায় না।
১. শক শাসকদের সময় রুপোর মুদ্রার প্রচলন শুরু হয়।
২. শক-পহ্লবদের মাধ্যমে ঘোড়ার জিন ও লাগামের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়।
৩. জামা, পাজামা, লম্বা জোব্বা, বেল্ট ও জুতোর মতো পোশাকের ব্যবহার ভারতীয় সমাজে প্রচলিত হয়।
৪.৩) প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে পড়াশোনার কী ভূমিকা ছিল?
উত্তর: প্রাচীনকালে পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চা বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভারতীয় পণ্ডিত ও শিক্ষকরা বিভিন্ন দেশে গিয়ে শিক্ষা ও বৌদ্ধধর্মের প্রচার করতেন। আবার চিন ও মধ্য এশিয়া থেকেও বহু শিক্ষার্থী ও পণ্ডিত ভারতে এসেছিলেন। বুদ্ধযশ, কুমারজীব ও পরমার্থের মতো পণ্ডিতদের মাধ্যমে ভারতীয় জ্ঞান ও বৌদ্ধধর্ম বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।
পাঠ্যবইয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর – প্রশ্নমান ১
১) গ্রিকরা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝখানের অঞ্চলকে কী বলত?
উত্তর: মেসোপটেমিয়া।
২) মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ।
৩) মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের দুটি সভ্যতার নাম লেখো।
উত্তর: সুমেরীয় সভ্যতা ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
৪) সুমেরের লিপিকে কী বলা হয়?
উত্তর: কিউনিফর্ম।
৫) সুমেরের লোকেরা কোন কোন বিষয়ের চর্চা করত?
উত্তর: গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা করত।
৬) কারা প্রথম কাঠের চাকার ব্যবহার শুরু করেছিল?
উত্তর: সুমেরের লোকেরা।
৭) কে প্রথম লিখিত আইন চালু করেছিলেন?
উত্তর: ব্যাবিলনের রাজা হামুরাবি।
৮) মিশরীয় সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
উত্তর: নীলনদের তীরে।
৯) মিশরকে নীলনদের দান কে বলেছিলেন?
উত্তর: গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস।
১০) ফ্যারাও কাদের বলা হত?
উত্তর: মিশরের শাসকদের ফ্যারাও বলা হত।
১১) ফ্যারাওদের মৃতদেহ রাখার জন্য কী বানানো হত?
উত্তর: পিরামিড।
১২) মিশরে কোন গাছের ছালে লেখা শুরু হয়?
উত্তর: প্যাপিরাস গাছের ছালে।
১৩) কাগজের ইংরেজি শব্দ Paper কোন নাম থেকে এসেছে?
উত্তর: প্যাপিরাস নাম থেকে।
১৪) ল্যাপিস লাজুলি কোথা থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আমদানি করা হত?
উত্তর: মিশর থেকে।
১৫) কোন নদীগুলির অববাহিকায় প্রাচীন চিন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?
উত্তর: হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায়।
১৬) প্রথম কাগজ বানানো ও কাঠের হরফ দিয়ে ছাপার কৌশল কোথায় তৈরি হয়?
উত্তর: চিনে।
১৭) প্রথম বারুদের ব্যবহার কোন দেশে হয়?
উত্তর: চিনে।
১৮) দুটি বিখ্যাত গ্রিক নগর রাষ্ট্রের নাম লেখো।
উত্তর: এথেন্স ও স্পার্টা।
১৯) এথেন্স ও স্পার্টার সঙ্গে পারসিক সাম্রাজ্যের যুদ্ধের কথা কার লেখায় পাওয়া যায়?
উত্তর: হেরোডোটাসের লেখায়।
২০) এথেন্স ও স্পার্টার নিজেদের মধ্যে যুদ্ধের কথা কার লেখা থেকে জানা যায়?
উত্তর: থুকিডাইডিসের লেখা থেকে।
২১) পারসিক সাম্রাজ্য কোথায় গড়ে উঠেছিল?
উত্তর: পারস্য উপসাগরের তীরে।
২২) দুজন বিখ্যাত পারসিক সম্রাটের নাম লেখো।
উত্তর: কুরুষ ও প্রথম দরায়বৌষ।
২৩) দরায়বৌষ কোন বংশের রাজা ছিলেন?
উত্তর: হখামনীষীয় বংশের।
২৪) যিশু খ্রিস্টকে কোথায় ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল?
উত্তর: জেরুজালেমে।
২৫) চিন ও তিব্বতের সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের যোগাযোগ কীভাবে বজায় ছিল?
উত্তর: হিমালয় পর্বতশ্রেণির গিরিপথ দিয়ে।
২৬) পারস্যের হখামনীষীয় শাসকরা গান্ধার অভিযান করেছিলেন কবে?
উত্তর: খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের দ্বিতীয় ভাগে।
২৭) হখামনীষীয় শাসকদের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন?
উত্তর: প্রথম দরায়বৌষ বা দরায়ুষ।
২৮) কার লেখায় ‘হিদুষ’ শব্দটি পাওয়া যায়?
উত্তর: দরায়ুষের লেখায়।
২৯) হিদুষ শব্দটি কোন শব্দ থেকে তৈরি হয়েছিল?
উত্তর: সিন্ধু নদ শব্দ থেকে।
৩০) ইন্দুস বা ইন্ডিয়া পারসিক সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশ ছিল – এই তথ্য কার লেখা থেকে জানা যায়?
উত্তর: হেরোডোটাসের লেখা থেকে।
৩১) প্রথম দরায়ুষের সমাধি কোথায় আছে?
উত্তর: নকস-ই-রুস্তমে।
৩২) কোন পারসিক শাসকের আমলে আলেকজান্ডার পারস্য অভিযান করেন?
উত্তর: তৃতীয় দরায়বৌষের সময়ে।
৩৩) কার আক্রমণের ফলে হখামনীষীয় সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে?
উত্তর: আলেকজান্ডারের আক্রমণের ফলে।
৩৪) হখামনীষীয়রা প্রাদেশিক শাসক হিসেবে কাদের নিয়োগ করতেন?
উত্তর: স্যাট্রাপদের।
৩৫) শক ও কুষাণদের আমলে স্যাট্রাপরা কী নামে পরিচিত হয়েছিল?
উত্তর: ক্ষত্রপ।
৩৬) শক ও কুষাণরা সরকারি আদেশ-নির্দেশ কীসের মাধ্যমে প্রচার করতেন?
উত্তর: লেখের মাধ্যমে।
৩৭) আলেকজান্ডারকে সহযোগিতা করেছিলেন এমন একজন ভারতীয় রাজার নাম লেখো।
উত্তর: তক্ষশিলার রাজা অম্ভি।
৩৮) পুরাণ সাহিত্যে কাদের যবন বলা হয়েছে?
উত্তর: ব্যাকট্রিয়ার গ্রিক রাজাদের।
৩৯) ইন্দো-গ্রিক রাজাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত কে ছিলেন?
উত্তর: মিনান্দার।
৪০) বৌদ্ধ সাহিত্যে মিনান্দার কী নামে পরিচিত?
উত্তর: মিলিন্দ।
৪১) মিনান্দার ও নাগসেনের প্রশ্নোত্তর কোন গ্রন্থে আছে?
উত্তর: মিলিন্দপঞ্চহো বা মিলিন্দপ্রশ্ন।
৪২) বাহ্লীক দেশ বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝানো হত?
উত্তর: ব্যাকট্রিয়াকে।
৪৩) স্কাইথীয়রা ভারতীয় উপমহাদেশে কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: শক বা সেক নামে।
৪৪) ইউয়ে ঝি-রা ভারতীয় উপমহাদেশে কী নামে পরিচিত হয়েছিল?
উত্তর: কুষাণ নামে।
৪৫) পার্থীয়রা ভারতীয় উপমহাদেশে কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: পহ্লব নামে।
৪৬) গন্ডোফারনেস কোন জাতির রাজা ছিলেন?
উত্তর: পহ্লব রাজা।
৪৭) কার আমলে সেন্ট থমাস ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিলেন?
উত্তর: গন্ডোফারনেসের আমলে।
৪৮) গন্ডোফারনেস নিজের মুদ্রায় কী উপাধি ব্যবহার করেছিলেন?
উত্তর: রাজাধিরাজ।
৪৯) মেগাস্থিনিস কার সভায় গিয়েছিলেন?
উত্তর: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সভায়।
৫০) মেগাস্থিনিস কার দূত ছিলেন?
উত্তর: গ্রিক সম্রাট সেলিউকাসের দূত ছিলেন।
৫১) সেলিউকাসের দূত হয়ে মৌর্য দরবারে আর কে গিয়েছিলেন?
উত্তর: ডায়ামাকাস।
৫২) টলেমি মৌর্যদের কাছে কাকে দূত হিসেবে পাঠিয়েছিলেন?
উত্তর: ডায়োনিসিয়াসকে।
৫৩) বিন্দুসারের সঙ্গে সিরিয়ার কোন শাসকের যোগাযোগ ছিল?
উত্তর: প্রথম অ্যান্টিওকসের।
৫৪) সম্রাট অশোক কোন ধর্ম প্রচার করেছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধধর্ম।
৫৫) হূণদের দুজন নেতার নাম লেখো।
উত্তর: তোরমান ও মিহিরকুল।
৫৬) স্কন্দগুপ্তের শাসনকালে হূণরা আনুমানিক কখন ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান করেছিল?
উত্তর: আনুমানিক ৪৫৮ খ্রিস্টাব্দে।
৫৭) ভারত মহাসাগর, লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরকে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান ভূগোলে কী বলা হত?
উত্তর: ইরিথ্রিয়ান সাগর।
৫৮) পেরিপ্লাস অভ দ্য ইরিথ্রিয়ান সী গ্রন্থের বিষয় কী?
উত্তর: ইরিথ্রিয়ান সাগরে যাতায়াত ও বাণিজ্যের বিবরণ।
৫৯) পেরিপ্লাস অভ দ্য ইরিথ্রিয়ান সী কোন ভাষায় লেখা?
উত্তর: গ্রিক ভাষায়।
৬০) পশ্চিম উপকূলের বিখ্যাত বন্দর কোনটি ছিল?
উত্তর: নর্মদা নদীর মোহনায় অবস্থিত ভৃগুকচ্ছ।
৬১) উত্তরের কোঙ্কন উপকূলের বিখ্যাত বন্দর কোনটি ছিল?
উত্তর: কল্যাণ বন্দর।
৬২) কল্যাণ বন্দর কে অবরোধ করেছিলেন?
উত্তর: শক শাসক নহপান।
৬৩) কাবেরী ব-দ্বীপ অঞ্চলের বিখ্যাত বন্দর কোনটি ছিল?
উত্তর: কাবেরীপট্টিনম।
৬৪) মালাবার উপকূলের বন্দরগুলি দিয়ে কীসের বাণিজ্য চলত?
উত্তর: গোলমরিচ ও অন্যান্য মশলার বাণিজ্য।
৬৫) চিন ও রোমের মধ্যে বাণিজ্যের প্রধান দ্রব্য কী ছিল?
উত্তর: রেশম।
৬৬) আরামীয় ও খরোষ্ঠী লিপি কোন দিক থেকে লেখা হত?
উত্তর: ডানদিক থেকে বাঁদিকে।
৬৭) আরামীয় লিপি থেকে কোন লিপি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হয়?
উত্তর: খরোষ্ঠী লিপি।
৬৮) আলেকজান্ডার পারসিক সাম্রাজ্যের কোন নগরী ধ্বংস করেছিলেন?
উত্তর: পার্সিপোলিস।
৬৯) কারা ভারতীয় উপমহাদেশে সোনার মুদ্রা চালু করেন?
উত্তর: ইন্দো-গ্রিকরা।
৭০) জুনাগড় প্রশস্তি কার লেখা?
উত্তর: শক শাসক রুদ্রদামনের লেখা।
৭১) জুনাগড় প্রশস্তি কোন ভাষায় রচিত?
উত্তর: সংস্কৃত ভাষায়।
৭২) যুদ্ধে ঘোড়ার ব্যবহার উন্নত করেছিল কারা?
উত্তর: শক-পহ্লবরা।
৭৩) চলন্ত ঘোড়ায় বসে পিছনে ফিরে তির ছোঁড়ার কৌশল কারা চালু করেন?
উত্তর: পহ্লবরা।
৭৪) ঘোড়ার লাগাম ও জিনের ব্যবহার কারা শুরু করেছিল?
উত্তর: শক-পহ্লবরা।
৭৫) শক-কুষাণরা কী কী পোশাক ভারতীয় উপমহাদেশে চালু করেছিল?
উত্তর: জামা, পাজামা, লম্বা জোব্বা, বেল্ট ও জুতো।
৭৬) শক-কুষাণদের আমলে নগরের পাঁচিল কী দিয়ে তৈরি হত?
উত্তর: ইট দিয়ে।
৭৭) কুষাণ আমলে কোন ধরনের পাত্র তৈরি হত?
উত্তর: লাল মাটির পাত্র।
৭৮) নাটকের পর্দাকে সংস্কৃতে কী বলে?
উত্তর: যবনিকা।
৭৯) যবনিকা শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?
উত্তর: যবন শব্দ থেকে।
৮০) বৌদ্ধধর্ম ও শিক্ষার চর্চা কোন দেশে জনপ্রিয় হয়েছিল?
উত্তর: চিনে।
৮১) যবনজাতক কোন বিষয়ের বই?
উত্তর: জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ের বই।
৮২) পঞ্চসিদ্ধান্তিকা কার লেখা?
উত্তর: বরাহমিহিরের লেখা।
৮৩) পৌলিশ ও রোমক সিদ্ধান্ত কোথা থেকে এসেছিল?
উত্তর: পৌলিশ সিদ্ধান্ত গ্রিস থেকে এবং রোমক সিদ্ধান্ত রোম থেকে এসেছিল।
৮৪) ফাসিয়ান কবে ভারতে পৌঁছেছিলেন?
উত্তর: ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে।
৮৫) ফাসিয়ানের ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কোন বইতে লেখা আছে?
উত্তর: ফো-কুয়ো-কি বইতে।
৮৬) ফাসিয়ান দেশে ফেরার সময় কী নিয়ে গিয়েছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধ পুঁথি।
৮৭) সুয়ান জাং যখন ভারতে আসেন তখন কনৌজ শাসন করছিলেন কে?
উত্তর: হর্ষবর্ধন।
৮৮) সুয়ান জাং কোথা থেকে ভারতে এসেছিলেন?
উত্তর: চিন থেকে।
৮৯) সুয়ান জাং নালন্দায় কার কাছে পড়াশোনা করেছিলেন?
উত্তর: পণ্ডিত শীলভদ্রের কাছে।
৯০) কুমারজীব কার কাছে বৌদ্ধধর্ম ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছিলেন?
উত্তর: বন্ধুদত্তের কাছে।
৯১) মিনান্দারের রাজধানীর নাম কী ছিল?
উত্তর: সাকল। বর্তমানে এটি পাকিস্তানের শিয়ালকোট নামে পরিচিত।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর – প্রশ্নমান ২
১) হায়ারোগ্লিফিক লিপি কাকে বলে?
উত্তর: প্রাচীন মিশরে বর্ণ ও ছবি মিলিয়ে এক ধরনের লেখার পদ্ধতি ব্যবহার করা হত। এই মিশরীয় চিত্রলিপিকে হায়ারোগ্লিফিক লিপি বলা হয়।
২) নগর রাষ্ট্র বা পলিস কাকে বলে?
উত্তর: প্রাচীন গ্রিসে পাহাড়ে ঘেরা অঞ্চলে অনেক ছোটো ছোটো স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল। এই ছোটো রাষ্ট্রগুলিকে নগর রাষ্ট্র বা পলিস বলা হত।
৩) চিনের প্রাচীর কাকে বলে?
উত্তর: বাইরের আক্রমণ থেকে সাম্রাজ্যকে রক্ষা করার জন্য চিনের শাসকরা বিশাল পাঁচিল নির্মাণ করেছিলেন। এই বিরাট প্রতিরক্ষা পাঁচিলগুলিকে একসঙ্গে চিনের প্রাচীর বলা হয়।
৪) হিদুষ কী?
উত্তর: পারসিকরা ‘স’ ধ্বনিকে অনেক সময় ‘হ’ হিসেবে উচ্চারণ করত। দরায়বৌষের লেখায় ‘হিদুষ’ শব্দটি পাওয়া যায়। এই শব্দটি মূলত সিন্ধু নদ ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলকে বোঝাত।
৫) পেরিপ্লাস শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পেরিপ্লাস শব্দের অর্থ জলযানে করে ঘুরে বেড়ানো অথবা জলপথে যাতায়াতের বিবরণ।
৬) যবনিকা কী?
উত্তর: সংস্কৃত ভাষায় নাটকের পর্দাকে যবনিকা বলা হয়। ‘যবন’ শব্দ থেকে যবনিকা শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।
৭) বুদ্ধযশ কে ছিলেন?
উত্তর: বুদ্ধযশ ছিলেন একজন কাশ্মীরি বৌদ্ধ পণ্ডিত। তিনি মধ্য এশিয়ার কাশগড়ে গিয়ে শিক্ষা ও বৌদ্ধধর্মের চর্চা করেছিলেন।
৮) পণ্ডিত পরমার্থ কোথায় গিয়েছিলেন?
উত্তর: পণ্ডিত পরমার্থ চিনে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বৌদ্ধ সাহিত্য ও ধর্মচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
৯) ল্যাপিস লাজুলি কী?
উত্তর: ল্যাপিস লাজুলি এক ধরনের মূল্যবান নীল পাথর। প্রাচীনকালে এই পাথর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আমদানি করা হত।
১০) ক্ষত্রিয় বা যোদ্ধৃশ্রেণি বলে কাদের মনে করা হত?
উত্তর: বিভিন্ন বিদেশি জাতি ও উপজাতি ধীরে ধীরে ভারতীয় সমাজের সঙ্গে মিশে যায়। তাদের মধ্যে অনেককে পরবর্তীকালে ক্ষত্রিয় বা যোদ্ধৃশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করা হয়।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর – প্রশ্নমান ৩
১) ইন্দো-গ্রিক শাসক কাদের বলা হয়?
উত্তর: ব্যাকট্রিয়ার গ্রিক শাসনের বিস্তার উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হয়েছিল। গান্ধার ও তক্ষশিলা অঞ্চলেও তাদের প্রভাব ছিল। ভারতীয় উপমহাদেশে শাসন করা এই গ্রিকদের ব্যাকট্রীয়-গ্রিক বা ইন্দো-গ্রিক শাসক বলা হয়। পুরাণ সাহিত্যে এঁদের যবন বলা হয়েছে।
২) কাদের শক ও পহ্লব বলা হয়?
উত্তর: মধ্য এশিয়ার যাযাবর স্কাইথীয়রা ভারতীয় উপমহাদেশে শক বা সেক নামে পরিচিত ছিল। অন্যদিকে পার্থিয়া অঞ্চলের পার্থীয়রা ভারতীয় উপমহাদেশে পহ্লব নামে পরিচিত হয়। শক ও পহ্লবরা উত্তর-পশ্চিম ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
৩) রেশম পথ কী?
উত্তর: চিন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে পশ্চিম এশিয়া ও রোমের দিকে রেশমসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনের জন্য যে স্থলপথগুলি ব্যবহৃত হত, সেগুলিকে পরবর্তীকালে রেশম পথ বলা হয়। চিনা রেশম রোম সাম্রাজ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ঊনবিংশ শতকে এই বাণিজ্যপথগুলিকে ‘রেশম পথ’ নামে অভিহিত করা হয়।
৪) তাম্রলিপ্ত বন্দর কেন বিখ্যাত ছিল?
উত্তর: তাম্রলিপ্ত প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-নগর ছিল। এটি পূর্ব উপকূলে অবস্থিত ছিল এবং স্থলপথ ও জলপথে যাতায়াতের সুবিধা ছিল। ফাসিয়ান ও সুয়ান জাং তাঁদের বিবরণে তাম্রলিপ্তের উল্লেখ করেছেন। বাণিজ্যের পাশাপাশি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এই বন্দরের গুরুত্ব ছিল।
ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর – প্রশ্নমান ৫
১) টীকা লেখো – মিনান্দার
উত্তর: ইন্দো-গ্রিক শাসকদের মধ্যে মিনান্দার ছিলেন অন্যতম বিখ্যাত। তিনি উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শাসন করেছিলেন। বৌদ্ধ সাহিত্যে তিনি ‘মিলিন্দ’ নামে পরিচিত। বৌদ্ধ ভিক্ষু নাগসেনের সঙ্গে তাঁর বিভিন্ন ধর্মীয় ও দার্শনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এই প্রশ্নোত্তর ‘মিলিন্দপঞ্চহো’ বা ‘মিলিন্দপ্রশ্ন’ গ্রন্থে সংরক্ষিত হয়েছে। তাঁর রাজধানী ছিল সাকল, যা বর্তমান পাকিস্তানের শিয়ালকোটের সঙ্গে চিহ্নিত করা হয়।
২) টীকা লেখো – হূণ আক্রমণ
উত্তর: আনুমানিক ৪৫৮ খ্রিস্টাব্দে হূণরা উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান চালায়। গুপ্ত সম্রাট স্কন্দগুপ্ত তাদের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হন। পরে পঞ্চম শতকের শেষ দিকে ও ষষ্ঠ শতকের শুরুতে হূণরা আবার শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তোরমান ও মিহিরকুল ছিলেন তাদের উল্লেখযোগ্য নেতা। হূণ আক্রমণের ফলে উত্তর ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে এবং গুপ্ত সাম্রাজ্যও সমস্যার মুখে পড়ে।
৩) আলেকজান্ডারের ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান কি মৌর্য সাম্রাজ্য গড়ে ওঠার উপর প্রভাব ফেলেছিল?
উত্তর: আলেকজান্ডারের ভারতীয় অভিযান দীর্ঘস্থায়ী ছিল না। তাই তাঁর অভিযানের সরাসরি প্রভাব সীমিত ছিল। তবে এই অভিযানের ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতের বেশ কিছু ছোটো শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তক্ষশিলার রাজা অম্ভির মতো কিছু শাসক আলেকজান্ডারকে সহযোগিতা করেছিলেন। পরবর্তীকালে মগধের শক্তি বিস্তারের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সহায়ক হয়েছিল। তাই সরাসরি নয়, পরোক্ষভাবে আলেকজান্ডারের অভিযান মৌর্য সাম্রাজ্য গড়ে ওঠার পথ সহজ করেছিল বলে মনে করা হয়।
৪) ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক যোগাযোগের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর: প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগে অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
১. স্থলপথ ও জলপথে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে মধ্য ও পশ্চিম এশিয়ার বাণিজ্য চলত।
২. রোম সাম্রাজ্য ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ভারত ও চিনের বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা ছিল।
৩. চিনা রেশমের সঙ্গে রোমের বাণিজ্যিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
৪. ভারতীয় উপমহাদেশের পশ্চিম ও পূর্ব উপকূলের বিভিন্ন বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
৫. মালাবার উপকূলের বন্দরগুলির মাধ্যমে গোলমরিচ ও অন্যান্য মশলার বাণিজ্য চলত।
এইভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হয়েছিল।
৫) টীকা লেখো – গান্ধার শিল্প
উত্তর: গান্ধার অঞ্চলে বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতির মানুষের যোগাযোগ ছিল। এই সাংস্কৃতিক মেলামেশার প্রভাব গান্ধারের শিল্পেও দেখা যায়। বৌদ্ধধর্মকে কেন্দ্র করে গান্ধার শিল্পের বিকাশ ঘটে। গান্ধার শিল্পে তৈরি বুদ্ধমূর্তিতে গ্রিক ও রোমান শিল্পরীতির প্রভাব লক্ষ করা যায়। মূর্তির মুখের গঠন, পোশাক ও বিভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্যে বিদেশি শিল্পরীতির ছাপ দেখা যায়। তবে এই শিল্পের মূল বিষয় ছিল ভারতীয় বৌদ্ধধর্ম। তাই গান্ধার শিল্পকে ভারতীয় ও গ্রিক-রোমান শিল্পরীতির মিলিত রূপ বলা যায়।
৬) টীকা লেখো – কুমারজীব
উত্তর: কুমারজীব ছিলেন একজন বিখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত ও অনুবাদক। তাঁর মা জীব বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ছোটোবেলায় কুমারজীব কাশ্মীরে গিয়ে বৌদ্ধধর্ম ও সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীকালে তিনি চিনে যান। সংস্কৃত ও চিনা উভয় ভাষায় দক্ষ হওয়ায় তিনি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অনুবাদের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। চিনে বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ দর্শনের প্রসারে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৭) ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে বাইরের বিভিন্ন অঞ্চলের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর: প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে পারস্য, গ্রিস, মধ্য এশিয়া, চিন ও অন্যান্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিল।
১. পারস্যের সঙ্গে যোগাযোগের ফলে আরামীয় ভাষা ও লিপির প্রভাব উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশে দেখা যায়। খরোষ্ঠী লিপির বিকাশের সঙ্গে আরামীয় লিপির সম্পর্ক ছিল বলে মনে করা হয়।
২. গ্রিক ও রোমান শিল্পরীতির প্রভাব গান্ধার শিল্পে দেখা যায়।
৩. শক, পহ্লব ও কুষাণদের আগমনের ফলে পোশাক, সামরিক কৌশল ও জীবনযাপনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসে।
৪. ভারতীয় পণ্ডিতরা চিন ও মধ্য এশিয়ায় গিয়ে বৌদ্ধধর্ম ও জ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটান।
৫. ফাসিয়ান ও সুয়ান জাংয়ের মতো চিনা পণ্ডিত ও পর্যটকরা ভারতে এসে বৌদ্ধ শিক্ষা ও ভারতীয় সমাজ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন।
ফলে বিভিন্ন দেশের মানুষের যোগাযোগের মাধ্যমে ভারতীয় সংস্কৃতিতে বৈচিত্র্য ও নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটেছিল।
৮) সুমেরীয় লিপি ও মিশরীয় লিপির মধ্যে পার্থক্য লেখো।
| বিষয় | সুমেরীয় লিপি | মিশরীয় লিপি |
|---|---|---|
| নাম | কিউনিফর্ম | হায়ারোগ্লিফিক |
| রূপ | তিরের ফলার মতো চিহ্ন | অনেকটা ছবির মতো চিহ্ন |
| লেখার মাধ্যম | মাটির ফলক | প্যাপিরাস ও বিভিন্ন স্থাপত্যের গায়ে |
| অঞ্চল | সুমের | মিশর |
সুতরাং সুমেরীয় ও মিশরীয় লিপির নাম, চিহ্নের ধরন এবং লেখার মাধ্যমের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য ছিল।
Class 6 History Chapter 9 Question Answer – FAQs
১) Class 6 History Chapter 9-এর নাম কী?
উত্তর: ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাসের নবম অধ্যায়ের নাম “ভারত ও সমকালীন বহির্বিশ্ব”।
২) Class 6 History Chapter 9 Question Answer কোথায় পাওয়া যাবে?
উত্তর: এই পোস্টে WBBSE ষষ্ঠ শ্রেণির ইতিহাস নবম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর সহজ ভাষায় দেওয়া হয়েছে।
৩) মিনান্দার কে ছিলেন?
উত্তর: মিনান্দার একজন বিখ্যাত ইন্দো-গ্রিক শাসক ছিলেন। বৌদ্ধ সাহিত্যে তিনি মিলিন্দ নামে পরিচিত।
৪) রেশম পথ কী?
উত্তর: চিন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে পশ্চিম এশিয়া ও রোমের দিকে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহৃত স্থলপথগুলিকে পরবর্তীকালে রেশম পথ বলা হয়।
৫) গান্ধার শিল্প কী?
উত্তর: গান্ধার অঞ্চলে বৌদ্ধধর্মকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এমন এক শিল্পরীতি, যেখানে ভারতীয় বিষয়বস্তুর সঙ্গে গ্রিক ও রোমান শিল্পরীতির প্রভাব দেখা যায়।
৬) সুয়ান জাং কোথা থেকে ভারতে এসেছিলেন?
উত্তর: সুয়ান জাং চিন থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিলেন।
উপসংহার
Class 6 History Chapter 9 Question Answer অর্থাৎ “ভারত ও সমকালীন বহির্বিশ্ব” অধ্যায়ে প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে পারস্য, গ্রিস, চিন, রোম ও অন্যান্য অঞ্চলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। পরীক্ষার আগে এই প্রশ্নোত্তরগুলি ভালোভাবে পড়লে অধ্যায়টির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি দ্রুত রিভিশন করা সম্ভব হবে।
proshnouttor.in-এ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে উচ্চশ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর, সাজেশন ও পড়াশোনার উপকরণ নিয়মিত প্রকাশ করা হবে।