Class 9 Geography Chapter 4 Question Answer in Bengali | ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ | WBBSE

Class 9 Geography Chapter 4 Question Answer: নবম শ্রেণির ভূগোলের চতুর্থ অধ্যায় “ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ” থেকে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, অতি সংক্ষিপ্ত, ২ নম্বর, ৩ নম্বর এবং ৫ নম্বরের প্রশ্নোত্তর এখানে সহজ ভাষায় দেওয়া হল। WBBSE-এর নবম শ্রেণির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্নোত্তরগুলি গুরুত্বপূর্ণ।

নবম শ্রেণির ভূগোল চতুর্থ অধ্যায় – ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ

এই অধ্যায়ে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ কীভাবে অন্তর্জাত ও বহির্জাত শক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি এবং পরিবর্তিত হয়, তা আলোচনা করা হয়েছে। পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, ভাঁজ, চ্যুতি, গ্রস্ত উপত্যকা, পাতসীমানা এবং বিভিন্ন ধরনের পর্বত সম্পর্কেও এই অধ্যায়ে জানা যায়।

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো – MCQ

১. পৃথিবীর উচ্চতম আগ্নেয় পর্বত কোনটি?

(A) ফুজিয়ামা
(B) কটোপাকসি
(C) ওজোস ডেল সালাডো
(D) মাউন্ট হেলমস

উত্তর: (C) ওজোস ডেল সালাডো

২. টেবিলল্যান্ড বলা হয় কোন ভূমিরূপকে?

(A) পর্বত
(B) মালভূমি
(C) পাহাড়
(D) সমভূমি

উত্তর: (B) মালভূমি

৩. শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে কোন ধরনের পর্বত সৃষ্টি হয়?

(A) ভঙ্গিল পর্বত
(B) স্তূপ পর্বত
(C) আগ্নেয় পর্বত
(D) সঞ্চয়জাত পর্বত

উত্তর: (A) ভঙ্গিল পর্বত

৪. মহাদেশীয় পাতের গড় ঘনত্ব কত?

(A) ২.৭ গ্রাম/ঘনসেমি
(B) ২.৯ গ্রাম/ঘনসেমি
(C) ২.৬ গ্রাম/ঘনসেমি
(D) ৩.১ গ্রাম/ঘনসেমি

উত্তর: (A) ২.৭ গ্রাম/ঘনসেমি

৫. ঝাড়খণ্ডের রাজমহল কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?

(A) স্তূপ পর্বত
(B) ক্ষয়জাত পর্বত
(C) ভঙ্গিল পর্বত
(D) আগ্নেয় পর্বত

উত্তর: (B) ক্ষয়জাত পর্বত

৬. পাকিস্তানের সল্ট রেঞ্জ কোন ধরনের পর্বত?

(A) ভঙ্গিল পর্বত
(B) আগ্নেয় পর্বত
(C) স্তূপ পর্বত
(D) ক্ষয়জাত পর্বত

উত্তর: (C) স্তূপ পর্বত

৭. ‘টেল’ ভূমিরূপ কীভাবে গঠিত হয়?

(A) নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে
(B) হিমবাহের নুড়ি ও কাদা সঞ্চয়ের ফলে
(C) উপকূলের বালি সঞ্চয়ের ফলে
(D) বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে

উত্তর: (B) হিমবাহের নুড়ি ও কাদা সঞ্চয়ের ফলে

৮. ভারতের একটি উচ্চ মালভূমি কোনটি?

(A) লাদাখ
(B) ছোটোনাগপুর
(C) মালব
(D) দাক্ষিণাত্য

উত্তর: (A) লাদাখ

৯. বিদার অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে কোন ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়?

(A) স্তূপ পর্বত
(B) লাভা মালভূমি
(C) পর্বতবেষ্টিত মালভূমি
(D) আগ্নেয়গিরি

উত্তর: (B) লাভা মালভূমি

১০. সঠিক জোড়টি নির্বাচন করো।

(A) ভঙ্গিল পর্বত – ব্যারেন
(B) স্তূপ পর্বত – হিমালয়
(C) আগ্নেয় পর্বত – সাতপুরা
(D) ক্ষয়জাত পর্বত – আরাবল্লী

উত্তর: (D) ক্ষয়জাত পর্বত – আরাবল্লী

১১. ভূ-আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে অনুভূমিকভাবে কাজ করলে কী সৃষ্টি হয়?

(A) স্তূপ পর্বত
(B) ভঙ্গিল পর্বত
(C) গ্রস্ত উপত্যকা
(D) মহাদেশ

উত্তর: (B) ভঙ্গিল পর্বত

১২. আলফ্রেড ওয়েগনার ‘মহীসঞ্চরণ’ মতবাদ প্রকাশ করেন কোন সালে?

(A) ১৯১৪ সালে
(B) ১৮৯৬ সালে
(C) ১৯২২ সালে
(D) ১৯১২ সালে

উত্তর: (D) ১৯১২ সালে

১৩. জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট প্রকৃতপক্ষে কী?

(A) বনভূমি
(B) স্তূপ পর্বত
(C) কৃষ্ণ মৃত্তিকা অঞ্চল
(D) বৃক্ষহীন অঞ্চল

উত্তর: (B) স্তূপ পর্বত

১৪. কোন নদী গ্রস্ত উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?

(A) সিন
(B) রাইন
(C) ভিলা
(D) গোদাবরী

উত্তর: (B) রাইন

১৫. ভারতে অবস্থিত একটি ক্ষয়জাত মালভূমির উদাহরণ কোনটি?

(A) দাক্ষিণাত্য
(B) ছোটোনাগপুর
(C) তিব্বত
(D) মালব মালভূমি

উত্তর: (B) ছোটোনাগপুর

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর – ১ নম্বর

১. ভারতের একটি স্তূপ পর্বতের নাম লেখো।

উত্তর: সাতপুরা।

২. মহাকাল ও মহাদেব কী ধরনের পর্বত?

উত্তর: ক্ষয়জাত পর্বত।

৩. পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ কোনটি?

উত্তর: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ।

৪. একটি ভূগাঠনিক সমভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর: তুরানের নিম্নভূমি।

৫. তিব্বতীয় পাত ও ভারতীয় পাতের সংযোগরেখাকে কী বলে?

উত্তর: সিন্ধু সিবনরেখা।

৬. সমপ্রায় ভূমির মধ্যে ক্ষয়প্রাপ্ত অবশিষ্টাংশকে কী বলে?

উত্তর: মোনাডনক।

৭. ভারতের একটি গ্রস্ত উপত্যকার উদাহরণ দাও।

উত্তর: নর্মদা নদীর উপত্যকা।

৮. চ্যুতি কাকে বলে?

উত্তর: ভূত্বকে সৃষ্ট ফাটল বরাবর শিলাস্তরের সরণ ঘটলে তাকে চ্যুতি বলে।

৯. মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা কোথায় অবস্থিত?

উত্তর: আটলান্টিক মহাসাগরে।

১০. এশিয়ার দুটি পর্বতগ্রন্থির নাম লেখো।

উত্তর: পামির গ্রন্থি ও আর্মেনীয় গ্রন্থি।

১১. গ্রাবেন কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অবনমিত অংশে গ্রাবেন দেখা যায়।

১২. একটি প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বতের নাম লেখো।

উত্তর: ক্যালেডোনিয়ান পর্বত।

১৩. ভারতের দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কোনটি?

উত্তর: কাঞ্চনজঙ্ঘা।

১৪. একটি পর্বতবেষ্টিত মালভূমির নাম লেখো।

উত্তর: তিব্বত মালভূমি।

১৫. হিমালয় কোন অগভীর সমুদ্র থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে?

উত্তর: টেথিস সাগর থেকে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর – ২ নম্বর

১. বহির্জাত প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝো?

উত্তর: পৃথিবীর উপরিভাগে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির ক্রিয়ায় যখন ভূমিরূপের পরিবর্তন ও বিবর্তন ঘটে, তখন তাকে বহির্জাত প্রক্রিয়া বলে। নদী, বায়ু, হিমবাহ, বৃষ্টিপাত, আবহবিকার ইত্যাদি এর প্রধান কারণ।

২. অন্তর্জাত প্রক্রিয়া বলতে কী বোঝো?

উত্তর: পৃথিবীর অভ্যন্তরে সৃষ্ট বিভিন্ন শক্তির প্রভাবে যখন ভূপৃষ্ঠে পরিবর্তন ও ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, তাকে অন্তর্জাত প্রক্রিয়া বলে। মহীভাবক আলোড়ন ও গিরিজনি আলোড়ন এর উদাহরণ।

৩. অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়ার মধ্যে সম্পর্ক লেখো।

উত্তর:

  1. অন্তর্জাত ও বহির্জাত শক্তি উভয়ই পৃথিবীর ভূমিরূপ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  2. অন্তর্জাত শক্তি মূলত ভূভাগকে উঁচু-নিচু করে, আর বহির্জাত শক্তি ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে সেই ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়।
  3. এই দুই ধরনের শক্তির সম্মিলিত ক্রিয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি ও বিবর্তন ঘটে।

৪. মহীভাবক আলোড়ন বলতে কী বোঝো?

উত্তর: যে ভূ-আলোড়ন প্রধানত উল্লম্বভাবে কাজ করে এবং বিস্তীর্ণ ভূভাগকে উপরে তুলে বা নিচে নামিয়ে দেয়, তাকে মহীভাবক আলোড়ন বলে। এর ফলে মালভূমি, স্তূপ পর্বত ও গ্রস্ত উপত্যকার মতো ভূমিরূপ সৃষ্টি হতে পারে।

৫. গিরিজনি আলোড়ন বলতে কী বোঝো?

উত্তর: যে ভূ-আলোড়ন প্রধানত অনুভূমিকভাবে কাজ করে এবং শিলাস্তরে প্রবল পার্শ্বচাপ সৃষ্টি করে, তাকে গিরিজনি আলোড়ন বলে। এর ফলে শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে এবং ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়।

৬. মহীভাবক ও গিরিজনি আলোড়নের পার্থক্য লেখো।

বিষয়মহীভাবক আলোড়নগিরিজনি আলোড়ন
প্রকৃতিপ্রধানত উল্লম্বপ্রধানত অনুভূমিক
বিস্তারবিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ঘটেতুলনামূলক সংকীর্ণ অঞ্চলে ঘটে
প্রধান ফলউত্থান ও অবনমনশিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি
ভূমিরূপমালভূমি, স্তূপ পর্বত, গ্রস্ত উপত্যকাভঙ্গিল পর্বত

৭. ভাঁজ কাকে বলে?

উত্তর: প্রবল পার্শ্বচাপের ফলে পাললিক শিলাস্তরে তরঙ্গের মতো বাঁক সৃষ্টি হলে তাকে ভাঁজ বলে।

৮. পর্যায়ন কাকে বলে?

উত্তর: বহির্জাত শক্তির ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয়কার্যের মাধ্যমে উঁচু-নিচু ভূভাগ ক্রমশ সমতল বা প্রায় সমতল হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে পর্যায়ন বলে।

৯. পর্বতের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর:

  1. পর্বতের উচ্চতা সাধারণত অনেক বেশি এবং ঢাল খাড়া হয়।
  2. পর্বতে সাধারণত শৃঙ্গ ও গভীর উপত্যকা দেখা যায়।

১০. লোয়েস কী?

উত্তর: বায়ু দ্বারা পরিবাহিত সূক্ষ্ম বালি, ধূলিকণা ও পলি কোনো স্থানে সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তীর্ণ সমভূমি সৃষ্টি করে, তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। চীনের হোয়াংহো অববাহিকায় লোয়েস সমভূমি দেখা যায়।

১১. লাভা মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর: ভূত্বকের ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের উত্তপ্ত লাভা বারবার বেরিয়ে এসে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে শীতল ও কঠিন হয়ে যে মালভূমি সৃষ্টি করে, তাকে লাভা মালভূমি বলে। দাক্ষিণাত্য মালভূমি এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

১২. পর্বতবেষ্টিত মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর: চারদিকে বা একাধিক দিকে পর্বত দ্বারা বেষ্টিত মালভূমিকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে। তিব্বত মালভূমি এর একটি উদাহরণ।

১৩. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি বলতে কী বোঝো?

উত্তর: দীর্ঘদিনের ক্ষয়কার্যের ফলে একটি বিস্তীর্ণ মালভূমি বিভিন্ন অংশে বিভক্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকলে তাকে ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি বলে। ছোটোনাগপুর মালভূমি এর উদাহরণ।

১৪. টেবিলল্যান্ড কাকে বলে?

উত্তর: যে মালভূমির উপরিভাগ সমতল বা সামান্য ঢেউখেলানো এবং চারপাশ তুলনামূলক খাড়া, তাকে দেখতে টেবিলের মতো হওয়ায় তাকে টেবিলল্যান্ড বলে।

১৫. সমপ্রায় ভূমি কাকে বলে?

উত্তর: দীর্ঘদিন ধরে নদী, বায়ু ও অন্যান্য ক্ষয়কারী শক্তির প্রভাবে কোনো প্রাচীন উচ্চভূমি বা মালভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে প্রায় সমতল ও সামান্য ঢেউখেলানো ভূমিতে পরিণত হলে তাকে সমপ্রায় ভূমি বলে।

১৬. ভূগাঠনিক সমভূমি কয় প্রকার ও কী কী?

উত্তর: ভূ-আন্দোলনের ফলে কোনো বিস্তীর্ণ ভূভাগ উত্থিত বা অবনত হয়ে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাকে ভূগাঠনিক সমভূমি বলে। এটি প্রধানত দুই প্রকার:

  1. উন্নত সমভূমি
  2. অবনত সমভূমি

১৭. পামির মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয় কেন?

উত্তর: পামির মালভূমি অত্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত। এর গড় উচ্চতা প্রায় ৪,৮৭৩ মিটার হওয়ায় একে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।

১৮. চ্যুতি কাকে বলে?

উত্তর: ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হয়ে সেই ফাটল বরাবর শিলাস্তরের এক অংশ অন্য অংশের তুলনায় সরে গেলে তাকে চ্যুতি বলে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর – ৩ নম্বর

১. পাত বা Plate কী?

উত্তর: অ্যাসথেনোস্ফিয়ারের ওপর ভাসমান এবং চলনশীল শিলামণ্ডলের শক্ত ও কঠিন অংশগুলিকে পাত বা Plate বলে। এই পাতগুলি ধীরে ধীরে বিভিন্ন দিকে চলাচল করে এবং তাদের পারস্পরিক গতির ফলে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি, পর্বত প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়।

উদাহরণ হিসেবে ইউরেশীয় পাত, ভারতীয় পাত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের নাম উল্লেখ করা যায়।

২. অপসারী বা প্রতিসারী পাতসীমানা কাকে বলে? একে গঠনকারী পাতসীমানা বলা হয় কেন?

উত্তর: যে পাতসীমানা বরাবর দুটি পাত পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, তাকে অপসারী বা প্রতিসারী পাতসীমানা বলে।

এখানে দুটি পাত দূরে সরে যাওয়ার ফলে ভূ-অভ্যন্তর থেকে ম্যাগমা উঠে এসে শীতল হয়ে নতুন ভূত্বক তৈরি করে। তাই একে গঠনকারী পাতসীমানা বলা হয়।

৩. অভিসারী পাতসীমানা কাকে বলে? একে ধ্বংসাত্মক পাতসীমানা বলা হয় কেন?

উত্তর: যে পাতসীমানা বরাবর দুটি পাত পরস্পরের দিকে অগ্রসর হয় এবং সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তাকে অভিসারী পাতসীমানা বলে।

এই সীমানায় একটি পাত অন্যটির নিচে প্রবেশ করতে পারে এবং পুরনো ভূত্বকের কিছু অংশ গুরুমণ্ডলে বিলীন হয়। তাই একে ধ্বংসাত্মক পাতসীমানা বলা হয়।

৪. ডেকান ট্র্যাপ কী?

উত্তর: ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমির বিস্তীর্ণ অংশ বহু পর্যায়ে লাভা প্রবাহের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। পরবর্তীকালে অসম ক্ষয়কার্যের ফলে এই লাভাস্তরগুলি সিঁড়ির ধাপের মতো আকৃতি লাভ করে। তাই দাক্ষিণাত্য মালভূমিকে ডেকান ট্র্যাপ বলা হয়।

৫. গ্রস্ত উপত্যকা কাকে বলে? এটি কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূখণ্ড নিচে বসে গিয়ে যে দীর্ঘ ও অবনত উপত্যকার সৃষ্টি করে, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।

সৃষ্টির কারণ:

  1. ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকে টান সৃষ্টি হয়।
  2. এর ফলে শিলাস্তরে সমান্তরাল চ্যুতি তৈরি হয়।
  3. চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ নিচে বসে যায়।
  4. এই অবনত অংশটিই গ্রস্ত উপত্যকায় পরিণত হয়।

নর্মদা উপত্যকা ও জার্মানির রাইন উপত্যকা গ্রস্ত উপত্যকার উদাহরণ।

৬. পাত গাঠনিক তত্ত্ব অনুসারে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি আলোচনা করো।

উত্তর: দুটি মহাদেশীয় পাত যখন অভিসারী গতিতে পরস্পরের দিকে এগিয়ে আসে, তখন তাদের সংঘর্ষস্থলে প্রবল পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপের ফলে পাতগুলির মধ্যবর্তী অঞ্চলে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে।

ক্রমাগত চাপের ফলে ভাঁজগুলি উঁচু হতে থাকে এবং অবশেষে বিশালাকার ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। হিমালয় এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

৭. ‘নবীন ভঙ্গিল পার্বত্য অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ’ – ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: নবীন ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত সক্রিয় অভিসারী পাতসীমানার কাছে অবস্থিত। ফলে এখানে ভূত্বকের পাতগুলি এখনও সক্রিয়ভাবে পরস্পরের দিকে অগ্রসর হয়।

  1. পাতের সংঘর্ষের ফলে ভূত্বকে প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়।
  2. এই চাপ ও শিলাস্তরের সরণের ফলে ভূমিকম্প হতে পারে।
  3. নবীন ভঙ্গিল পর্বত গঠনের প্রক্রিয়া এখনও সক্রিয় থাকায় এই অঞ্চলে ভূ-আলোড়ন তুলনামূলক বেশি।

এই কারণে হিমালয় অঞ্চলের মতো নবীন ভঙ্গিল পার্বত্য অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ।

৮. ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ বলতে কী বোঝো?

উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে এর উপকূলবর্তী অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক সক্রিয় ও সুপ্ত আগ্নেয়গিরি অবস্থান করেছে। প্রশান্ত মহাসাগরকে অনেকটা বলয় বা কোমরবন্ধনীর মতো ঘিরে এই আগ্নেয়গিরিগুলি অবস্থান করায় একে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ বা Ring of Fire বলা হয়।

এর প্রধান কারণ হল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন অভিসারী পাতসীমানা, যেখানে পাতের সংঘর্ষ ও অধোগমনের ফলে ম্যাগমা উৎপন্ন হয়ে আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি করে।

৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল:

  1. সৃষ্টির প্রক্রিয়া: প্রবল অনুভূমিক পার্শ্বচাপের ফলে পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়।
  2. শিলার প্রকৃতি: প্রধানত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত হলেও বিভিন্ন স্থানে আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাও পাওয়া যায়।
  3. ভাঁজ: ভঙ্গিল পর্বতে বিভিন্ন ধরনের ভাঁজ ও চ্যুতি দেখা যায়।
  4. উচ্চতা: নবীন ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত অত্যন্ত উঁচু এবং সুউচ্চ শৃঙ্গবিশিষ্ট।
  5. বিস্তৃতি: এই পর্বতগুলি দীর্ঘ ও বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে অবস্থান করতে পারে।
  6. জীবাশ্ম: পাললিক শিলার উপস্থিতির কারণে অনেক ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম পাওয়া যায়।
  7. বয়স অনুযায়ী ভাগ: ভঙ্গিল পর্বতকে প্রাচীন ও নবীন ভঙ্গিল পর্বতে ভাগ করা যায়।
  8. ভূমিকম্প: নবীন ভঙ্গিল পার্বত্য অঞ্চল সাধারণত ভূমিকম্পপ্রবণ।

উদাহরণ: হিমালয়, আল্পস, রকি পর্বতমালা।

২. আগ্নেয় পর্বতের বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: আগ্নেয় পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল:

  1. সৃষ্টি: ভূগর্ভের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা জ্বালামুখ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এসে জমাট বাঁধলে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়।
  2. অবস্থান: সাধারণত পাতসীমানা বা ভূত্বকের দুর্বল অঞ্চলে আগ্নেয় পর্বত দেখা যায়।
  3. গঠন উপাদান: লাভা, আগ্নেয় ভস্ম, সিন্ডার ও বিভিন্ন আগ্নেয় পদার্থ দিয়ে গঠিত হয়।
  4. আকৃতি: সাধারণত শঙ্কু বা মোচাকৃতির হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গম্বুজাকারও হতে পারে।
  5. জ্বালামুখ: আগ্নেয় পর্বতে ম্যাগমা বেরিয়ে আসার জন্য জ্বালামুখ বা নির্গমনপথ থাকে।
  6. উচ্চতা: অনেক আগ্নেয় পর্বতের উচ্চতা মাঝারি হলেও অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উচ্চতা বাড়তে পারে।
  7. ঢাল: অনেক আগ্নেয় পর্বতের ঢাল তুলনামূলক খাড়া হয়।
  8. ভূমিকম্প: অগ্ন্যুৎপাতের সঙ্গে ভূমিকম্পের ঘটনাও ঘটতে পারে।

৩. স্তূপ পর্বতের বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তর: দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূখণ্ড উত্থিত হলে স্তূপ পর্বত বা Block Mountain সৃষ্টি হয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল:

  1. স্তূপ পর্বত মূলত চ্যুতি ও ভূ-আলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয়।
  2. অনুভূমিক ও উল্লম্ব উভয় ধরনের ভূ-শক্তি এর গঠনে ভূমিকা রাখে।
  3. এর শীর্ষভাগ সাধারণত চ্যাপটা বা সমতল প্রকৃতির হয়।
  4. স্তূপ পর্বতের ঢাল সাধারণত খাড়া হয়।
  5. এদের উচ্চতা সাধারণত মাঝারি প্রকৃতির।
  6. স্তূপ পর্বত দীর্ঘ ও বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে নাও থাকতে পারে।

উদাহরণ: জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ভারতের সাতপুরা।

৪. মহীখাত তত্ত্ব অনুসারে হিমালয় পর্বতের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মহীখাত তত্ত্বের সঙ্গে হিমালয়ের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে টেথিস সাগরের ধারণা গুরুত্বপূর্ণ।

  1. বর্তমানে যেখানে হিমালয় অবস্থিত, সেখানে বহু কোটি বছর আগে একটি অগভীর সমুদ্র ছিল। এর নাম ছিল টেথিস সাগর।
  2. টেথিস সাগরের উত্তরে ও দক্ষিণে প্রাচীন স্থলভাগ ছিল।
  3. বিভিন্ন নদী ওই স্থলভাগ থেকে পলি বহন করে টেথিস সাগরে সঞ্চয় করতে থাকে।
  4. দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ পলি জমে পুরু পাললিক স্তরের সৃষ্টি হয়।
  5. পরবর্তীকালে ভারতীয় পাত উত্তরের দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশীয় পাতের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
  6. এই সংঘর্ষের ফলে টেথিস সাগরের সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তরে প্রবল চাপ পড়ে।
  7. সেই চাপের ফলে শিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে ভাঁজগুলি উঁচু হয়ে হিমালয় পর্বতমালার সৃষ্টি হয়।

৫. মানবজীবনে পর্বতের প্রভাব বা গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর: মানবজীবনে পর্বতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

  1. জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ: পর্বত বায়ুপ্রবাহকে বাধা দেয় এবং বৃষ্টিপাতের বণ্টনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  2. প্রাকৃতিক সীমারেখা: অনেক ক্ষেত্রে পর্বত বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চলের প্রাকৃতিক সীমারেখা হিসেবে কাজ করে।
  3. পর্যটন: পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মনোরম জলবায়ুর কারণে পর্যটন শিল্প গড়ে ওঠে।
  4. বনজ সম্পদ: পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের বনভূমি দেখা যায়। কাঠ, কাগজ, প্লাইউডসহ বিভিন্ন শিল্পে বনজ সম্পদ ব্যবহৃত হয়।
  5. জলবিদ্যুৎ: পার্বত্য অঞ্চলের খরস্রোতা নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
  6. কৃষিকাজ: উপত্যকা ও ঢালু অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করা হয়।
  7. নদীর উৎস: বহু গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তি পর্বত ও হিমবাহ অঞ্চল থেকে হয়।

৬. মানবজীবনে মালভূমির প্রভাব বা গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর: মানবজীবনে মালভূমির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

  1. খনিজ সম্পদ: মালভূমি অঞ্চল সাধারণত কয়লা, লৌহ আকরিক, তামা, বক্সাইটসহ বিভিন্ন খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ।
  2. শিল্প: খনিজ সম্পদ ও কাঁচামাল সহজলভ্য হওয়ায় মালভূমি অঞ্চলে বিভিন্ন শিল্প গড়ে ওঠে।
  3. কৃষিকাজ: মালভূমির নদী উপত্যকার উর্বর জমিতে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা হয়।
  4. জলবিদ্যুৎ: মালভূমির খরস্রোতা নদী ও জলপ্রপাত জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী।
  5. বনজ সম্পদ: মালভূমির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের বনভূমি রয়েছে।
  6. পর্যটন: জলপ্রপাত, পাহাড়, বন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে অনেক মালভূমি অঞ্চলে পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে।

৭. মানবজীবনে সমভূমির প্রভাব বা গুরুত্ব আলোচনা করো। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ সমভূমিতে বসবাস করে কেন?

উত্তর: সমভূমি মানুষের বসবাস ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। প্রধান কারণগুলি হল:

  1. বসতি: সমতল ভূমিতে বাড়িঘর ও নগর গড়ে তোলা সহজ।
  2. কৃষিকাজ: নদীবাহিত পলিমাটি সমভূমিকে উর্বর করে তোলে।
  3. জলের সহজলভ্যতা: নদী ও ভূগর্ভস্থ জলের কারণে জল সরবরাহ তুলনামূলক সহজ।
  4. পরিবহন: সমতল ভূমিতে রাস্তা, রেলপথ ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজে তৈরি করা যায়।
  5. শিল্প ও ব্যবসা: পরিবহন ও যোগাযোগের সুবিধার কারণে সমভূমিতে শিল্প, ব্যবসা ও বাণিজ্যের বিকাশ ঘটে।
  6. পশুপালন: বিস্তীর্ণ তৃণভূমি পশুপালনের জন্য উপযোগী।
  7. নগরায়ণ: সমভূমিতে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা ও যোগাযোগের সুবিধা থাকায় বড় বড় শহর ও জনবসতি গড়ে ওঠে।

এই কারণগুলির জন্য পৃথিবীর অনেক ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল সমভূমিতে অবস্থিত।

গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

সঞ্চয়জাত পর্বত ও ক্ষয়জাত পর্বতের পার্থক্য

বিষয়সঞ্চয়জাত পর্বতক্ষয়জাত পর্বত
গঠনবিভিন্ন পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়দীর্ঘদিনের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্টি হয়
প্রধান প্রক্রিয়াসঞ্চয়ক্ষয় ও অপসারণ
গঠন উপাদানপলি, বালি, শিলা বা অন্যান্য সঞ্চিত পদার্থক্ষয়প্রাপ্ত শিলা ও ভূভাগ
আকৃতিসঞ্চিত পদার্থের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন আকৃতিসাধারণত ক্ষয়প্রাপ্ত ও অসম আকৃতি
উদাহরণসঞ্চয়জাত ভূমিরূপের বিভিন্ন পর্বতআরাবল্লী পর্বত

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

এই অধ্যায় থেকে পরীক্ষায় বিশেষভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নিচের বিষয়গুলি ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত:

  1. অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়া।
  2. মহীভাবক ও গিরিজনি আলোড়ন।
  3. ভাঁজ ও চ্যুতি।
  4. পাত ও পাতসীমানা।
  5. অপসারী ও অভিসারী পাতসীমানা।
  6. ভঙ্গিল, স্তূপ ও আগ্নেয় পর্বত।
  7. গ্রস্ত উপত্যকা।
  8. লাভা মালভূমি ও ডেকান ট্র্যাপ।
  9. পর্বত, মালভূমি ও সমভূমির গুরুত্ব।
  10. হিমালয়ের উৎপত্তি।
  11. প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা।
  12. সমপ্রায় ভূমি ও মোনাডনক।

Frequently Asked Questions – FAQs

Class 9 Geography Chapter 4-এর নাম কী?

নবম শ্রেণির ভূগোলের চতুর্থ অধ্যায়ের নাম “ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন ভূমিরূপ”।

WBBSE Class 9 Geography Chapter 4-এ কী কী পড়তে হবে?

এই অধ্যায়ে অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়া, ভূ-আলোড়ন, পাত গাঠনিক তত্ত্ব, পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, চ্যুতি, ভাঁজ এবং বিভিন্ন ভূমিরূপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

গ্রস্ত উপত্যকা কী?

দুটি সমান্তরাল চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ নিচে বসে গিয়ে যে দীর্ঘ অবনত ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।

ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয়?

প্রবল অনুভূমিক পার্শ্বচাপের ফলে পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি হলে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি হয়।

ডেকান ট্র্যাপ কী?

দাক্ষিণাত্য মালভূমির বিস্তীর্ণ লাভাস্তর পরবর্তীকালে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সিঁড়ির ধাপের মতো আকৃতি লাভ করায় তাকে ডেকান ট্র্যাপ বলা হয়।

পৃথিবীর ছাদ কাকে বলা হয়?

পামির মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।

শেষ কথা

Class 9 Geography Chapter 4 Question Answer পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অন্তর্জাত ও বহির্জাত প্রক্রিয়া, বিভিন্ন ধরনের পর্বত, পাতসীমানা, গ্রস্ত উপত্যকা, মালভূমি ও সমভূমির বৈশিষ্ট্য এবং মানবজীবনে বিভিন্ন ভূমিরূপের গুরুত্ব ভালোভাবে প্রস্তুত করে রাখলে এই অধ্যায়ের প্রশ্নের উত্তর লেখা সহজ হবে। সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যগুলি নিজের ভাষায় বোঝার চেষ্টা করে পড়লে পরীক্ষায় আরও ভালোভাবে উত্তর দেওয়া সম্ভব।

Leave a Comment