মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার্থীদের জন্য অভিষেক কবিতার প্রশ্ন উত্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য-এর প্রথম সর্গ থেকে নেওয়া হয়েছে ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ। এই অংশে ইন্দ্রজিৎ, রাবণ, প্রমীলা এবং দেবী লক্ষ্মীকে কেন্দ্র করে বীরত্ব, পিতৃভক্তি, দেশপ্রেম, দাম্পত্যপ্রেম ও করুণ রসের সুন্দর সমন্বয় দেখা যায়।
এই পোস্টে Abhishek Class 10 Question Answer হিসেবে MCQ, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, ৩ নম্বরের প্রশ্ন এবং ৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ভাষায় দেওয়া হলো। WBBSE মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এগুলি বারবার অনুশীলন করা যেতে পারে।
অভিষেক কবিতা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| কবি | মাইকেল মধুসূদন দত্ত |
| কাব্য | মেঘনাদবধ কাব্য |
| সর্গ | প্রথম সর্গ |
| কাব্যাংশ | অভিষেক |
| শ্রেণি | দশম |
| বোর্ড | WBBSE |
| মূল বিষয় | ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রা ও সেনাপতি পদে অভিষেক |
অভিষেক কবিতার MCQ প্রশ্ন উত্তর
১. ‘অভিষেক’ কবিতার রচয়িতা কে?
ক) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
খ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) নবীনচন্দ্র সেন
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২. ‘অভিষেক’ কোন কাব্যগ্রন্থের অংশ?
ক) বীরাঙ্গনা কাব্য
খ) তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
গ) মেঘনাদবধ কাব্য
ঘ) ব্রজাঙ্গনা কাব্য
উত্তর: গ) মেঘনাদবধ কাব্য
৩. ‘অভিষেক’ মেঘনাদবধ কাব্যের কোন সর্গ থেকে নেওয়া?
ক) প্রথম সর্গ
খ) তৃতীয় সর্গ
গ) পঞ্চম সর্গ
ঘ) নবম সর্গ
উত্তর: ক) প্রথম সর্গ
৪. ‘অভিষেক’ কাব্যাংশের রচনাকাল কোনটি?
ক) ১৮৪৯
খ) ১৮৬০
গ) ১৮৬১
ঘ) ১৮৬২
উত্তর: গ) ১৮৬১
৫. ‘বীরেন্দ্রকেশরী’ কাকে বলা হয়েছে?
ক) বীরবাহু
খ) রামচন্দ্র
গ) মেঘনাদ
ঘ) রাবণ
উত্তর: গ) মেঘনাদ
৬. মেঘনাদের নাম ইন্দ্রজিৎ হওয়ার কারণ কী?
ক) তিনি ইন্দ্রের বন্ধু ছিলেন
খ) তিনি ইন্দ্রকে বন্দি করেছিলেন
গ) তিনি ইন্দ্রকে হত্যা করেছিলেন
ঘ) তিনি ইন্দ্রের পূজা করতেন
উত্তর: খ) তিনি ইন্দ্রকে বন্দি করেছিলেন
৭. “প্রণমিয়া ধাত্রীর চরণে” – ধাত্রী কে?
ক) প্রভাষা
খ) প্রমীলা
গ) মন্দোদরী
ঘ) লক্ষ্মী
উত্তর: ক) প্রভাষা
৮. “গতি তব আজি এ ভবনে?” – কোন ভবনের কথা বলা হয়েছে?
ক) অশোক কানন
খ) রাবণের রাজসভা
গ) ইন্দ্রজিতের প্রমোদ-উদ্যান
ঘ) দেবী লক্ষ্মীর আলয়
উত্তর: গ) ইন্দ্রজিতের প্রমোদ-উদ্যান
৯. ‘গতি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) গমন
খ) আগমন
গ) নির্গমন
ঘ) স্মরণ
উত্তর: খ) আগমন
১০. “কহ দাসে লঙ্কার কুশল” – ‘দাস’ কে?
ক) ইন্দ্রজিৎ নিজেকে
খ) লক্ষ্মণ
গ) বিভীষণ
ঘ) রাবণ
উত্তর: ক) ইন্দ্রজিৎ নিজেকে
১১. ‘অম্বুরাশি-সুতা’ কে?
ক) সীতা
খ) লক্ষ্মী
গ) প্রভাষা
ঘ) চিত্রাঙ্গদা
উত্তর: খ) লক্ষ্মী
১২. অম্বুরাশি-সুতা ইন্দ্রজিৎকে কী সংবাদ দিয়েছিলেন?
ক) রাবণের মৃত্যুসংবাদ
খ) বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ
গ) রামচন্দ্রের মৃত্যুসংবাদ
ঘ) লক্ষ্মণের মৃত্যুসংবাদ
উত্তর: খ) বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ
১৩. লক্ষ্মী কেন ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন?
ক) ইন্দ্রজিৎ যেন তাঁকে চিনতে না পারেন
খ) ইন্দ্রজিতের সঙ্গে মজা করার জন্য
গ) রাবণের কাছ থেকে পরিচয় গোপন করার জন্য
ঘ) শত্রুর পরিচয় গোপন করার জন্য
উত্তর: ক) ইন্দ্রজিৎ যেন তাঁকে চিনতে না পারেন
১৪. “হত প্রিয় ভাই তব ______ বলী” – শূন্যস্থান পূরণ করো।
ক) তরণীসেন
খ) কুম্ভকর্ণ
গ) বীরবাহু
ঘ) অহিরাবণ
উত্তর: গ) বীরবাহু
১৫. রাবণ কেন মহাশোকী হয়েছিলেন?
ক) লঙ্কা পুড়ে যাওয়ায়
খ) বীরবাহুর মৃত্যুতে
গ) নিজের পরাজয়ে
ঘ) বিভীষণের জন্য
উত্তর: খ) বীরবাহুর মৃত্যুতে
১৬. “সৈসেন্যে সাজেন আজি যুঝিতে আপনি” – কে যুদ্ধের জন্য সাজছিলেন?
ক) রাবণ
খ) ইন্দ্রজিৎ
গ) বীরবাহু
ঘ) তরণীসেন
উত্তর: ক) রাবণ
১৭. ‘যুঝিতে’ শব্দের অর্থ কী?
ক) যোজনা করতে
খ) যুদ্ধ করতে
গ) ঘোষণা করতে
ঘ) প্রশ্ন করতে
উত্তর: খ) যুদ্ধ করতে
১৮. ‘মহাবাহু’ কাকে বলা হয়েছে?
ক) ইন্দ্রজিৎ
খ) বীরবাহু
গ) অর্জুন
ঘ) কার্তিক
উত্তর: ক) ইন্দ্রজিৎ
১৯. ইন্দ্রজিৎ কোন সময়ে রামচন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন?
ক) প্রাতে
খ) দুপুরে
গ) প্রকাশ্য যুদ্ধে
ঘ) নিশার যুদ্ধে
উত্তর: ঘ) নিশার যুদ্ধে
২০. ‘রঘুবর’ কে?
ক) লক্ষ্মণ
খ) ভরত
গ) রামচন্দ্র
ঘ) শত্রুঘ্ন
উত্তর: গ) রামচন্দ্র
২১. “খণ্ড খণ্ড করিয়া কাটিনু” – কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) ইন্দ্রকে
খ) রামচন্দ্রকে
গ) লক্ষ্মণকে
ঘ) বৈরীদলকে
উত্তর: খ) রামচন্দ্রকে
২২. ‘অদ্ভুত বার্তা’ কী?
ক) রাবণের মৃত্যু
খ) বীরবাহুর মৃত্যু
গ) বিভীষণের মৃত্যু
ঘ) সীতার মৃত্যু
উত্তর: খ) বীরবাহুর মৃত্যু
২৩. ‘রত্নাকর রত্নোত্তমা ইন্দিরা’ কে?
ক) সীতা
খ) প্রমীলা
গ) সরমা
ঘ) লক্ষ্মী
উত্তর: ঘ) লক্ষ্মী
২৪. “তব শরে মরিয়া বাঁচিল” – কে আবার জীবিত হয়েছিল?
ক) ভরত
খ) রাম
গ) কুম্ভকর্ণ
ঘ) সুগ্রীব
উত্তর: খ) রাম
২৫. “যাও তুমি ত্বরা করি” – কোথায় যেতে বলা হয়েছে?
ক) প্রমীলার কাছে
খ) অশোককাননে
গ) কালসমরে
ঘ) পবনপথে
উত্তর: গ) কালসমরে
২৬. ‘কালসমর’ বলতে কী বোঝায়?
ক) কালের যুদ্ধ
খ) কালরূপ ভয়ংকর যুদ্ধ
গ) গতকালের যুদ্ধ
ঘ) জীবনের সংগ্রাম
উত্তর: খ) কালরূপ ভয়ংকর যুদ্ধ
২৭. ‘রক্ষঃচূড়ামণি’ কে?
ক) ইন্দ্রজিৎ
খ) বীরবাহু
গ) রাবণ
ঘ) রাম
উত্তর: ক) ইন্দ্রজিৎ
২৮. “ছিঁড়িলা ______ রোষে মহাবলী মেঘনাদ” – শূন্যস্থান পূরণ করো।
ক) সোনার হার
খ) কুসুমদাম
গ) রুদ্রাক্ষমালা
ঘ) মুক্তাহার
উত্তর: খ) কুসুমদাম
২৯. “ফেলাইলা ______ দূরে” – কী ফেলে দিয়েছিলেন?
ক) পুষ্পমালা
খ) কনক-বলয়
গ) তরবারি
ঘ) ধনুক
উত্তর: খ) কনক-বলয়
৩০. মেঘনাদের পদতলে কী পড়ে ছিল?
ক) মুক্তাহার
খ) মুকুট
গ) স্বর্ণবলয়
ঘ) কুণ্ডল
উত্তর: ঘ) কুণ্ডল
৩১. “______ বেড়ে স্বর্ণলঙ্কা” – শূন্যস্থান পূরণ করো।
ক) বামাদল
খ) বৈরীদল
গ) কর্বুরদল
ঘ) বানরসেনা
উত্তর: খ) বৈরীদল
৩২. ইন্দ্রজিৎ কোথায় ছিলেন?
ক) যুদ্ধক্ষেত্রে
খ) নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে
গ) অশোককাননে
ঘ) বামাদলের মাঝে
উত্তর: ঘ) বামাদলের মাঝে
৩৩. ‘দশাননাত্মজ’ কে?
ক) রাম
খ) ইন্দ্রজিৎ
গ) বিভীষণ
ঘ) লক্ষ্মণ
উত্তর: খ) ইন্দ্রজিৎ
৩৪. ইন্দ্রজিৎ কীভাবে অপবাদ ঘোচাতে চেয়েছিলেন?
ক) যুদ্ধ ত্যাগ করে
খ) রাক্ষসকুল ত্যাগ করে
গ) শত্রুকুল ধ্বংস করে
ঘ) পূজা করে
উত্তর: গ) শত্রুকুল ধ্বংস করে
৩৫. “আন ______ ত্বরা করি” – কী আনতে বলা হয়েছিল?
ক) তরবারি
খ) ধনুক
গ) রথ
ঘ) হাতি
উত্তর: গ) রথ
৩৬. হেমবতী কে?
ক) পার্বতী
খ) লক্ষ্মী
গ) মনসা
ঘ) কালী
উত্তর: ক) পার্বতী
৩৭. হেমবতীসুত কে?
ক) কার্তিক
খ) মেঘনাদ
গ) লক্ষ্মণ
ঘ) অর্জুন
উত্তর: ক) কার্তিক
৩৮. কার্তিক কোন অসুরকে বধ করেছিলেন?
ক) বৃত্রাসুর
খ) মহিষাসুর
গ) শুম্ভ-নিশুম্ভ
ঘ) তারকাসুর
উত্তর: ঘ) তারকাসুর
৩৯. ‘কিরীটী’ কে?
ক) কার্তিক
খ) ভীম
গ) অর্জুন
ঘ) রাবণ
উত্তর: গ) অর্জুন
৪০. অর্জুন কী উদ্ধার করেছিলেন?
ক) গোধন
খ) গুপ্তধন
গ) উত্তরাকে
ঘ) বিরাটরাজ্য
উত্তর: ক) গোধন
৪১. বৃহন্নলারূপী অর্জুনের সঙ্গে কে ছিলেন?
ক) হনুমান
খ) বিরাটপুত্র
গ) রাবণপুত্র
ঘ) চিত্রাঙ্গদার পুত্র
উত্তর: খ) বিরাটপুত্র
৪২. ‘শূর’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) ইন্দ্রজিৎ
খ) রাবণ
গ) অর্জুন
ঘ) কার্তিক
উত্তর: গ) অর্জুন
৪৩. ইন্দ্রজিতের রথের বর্ণ কেমন ছিল?
ক) রক্তিম
খ) হলুদ
গ) নীল
ঘ) মেঘবর্ণ
উত্তর: ঘ) মেঘবর্ণ
৪৪. ইন্দ্রজিতের রথের গতি কিসের মতো?
ক) অশ্বের
খ) হরিণের
গ) সিংহের
ঘ) চিতার
উত্তর: ক) অশ্বের
৪৫. ‘হেনকালে’ বলতে কোন সময়কে বোঝানো হয়েছে?
ক) বীরবাহুর মৃত্যুকাল
খ) রাবণের যুদ্ধসজ্জার সময়
গ) লঙ্কাধ্বংসের সময়
ঘ) ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রার সময়
উত্তর: ঘ) ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রার সময়
৪৬. ‘হেমলতা’ কী?
ক) কাঁটালতা
খ) স্বর্ণলতা
গ) রৌপ্যলতা
ঘ) পর্ণলতা
উত্তর: খ) স্বর্ণলতা
৪৭. ইন্দ্রজিতের স্ত্রী কে?
ক) ইন্দিরা
খ) সরমা
গ) নিকষা
ঘ) প্রমীলা
উত্তর: ঘ) প্রমীলা
৪৮. ‘ধনি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) যুবতী
খ) বৃদ্ধা
গ) রাক্ষসী
ঘ) সুন্দরী নারী
উত্তর: ঘ) সুন্দরী নারী
৪৯. নিজেকে ‘অভাগী’ বলেছেন কে?
ক) সীতা
খ) প্রমীলা
গ) মন্দোদরী
ঘ) উর্মিলা
উত্তর: খ) প্রমীলা
৫০. কারা রঙ্গরসে মন দেয় না?
ক) মাতঙ্গ
খ) ইন্দ্রজিৎ
গ) প্রমীলা
ঘ) রাবণ
উত্তর: ক) মাতঙ্গ
৫১. ‘মাতঙ্গ’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
ক) তুরঙ্গম
খ) মৈনাক
গ) যূথনাথ
ঘ) মন্দুক
উত্তর: গ) যূথনাথ
৫২. ‘কিঙ্করী’ কাকে বলা হয়েছে?
ক) সীতাকে
খ) সখীদের
গ) মন্দোদরীকে
ঘ) প্রমীলাকে
উত্তর: ঘ) প্রমীলাকে
৫৩. ইন্দ্রজিৎকে কে জয় করেছিলেন?
ক) রাম
খ) লক্ষ্মণ
গ) প্রমীলা
ঘ) প্রভাষা
উত্তর: গ) প্রমীলা
৫৪. “ত্বরায় আমি আসিব ফিরিয়া” – বক্তা কে?
ক) মেঘনাদ
খ) কার্তিক
গ) অর্জুন
ঘ) রাবণ
উত্তর: ক) মেঘনাদ
৫৫. “তোমার কল্যাণে রাঘবে” – ‘তোমার’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) রাবণ
খ) প্রমীলা
গ) প্রভাষা
ঘ) ইন্দিরা
উত্তর: খ) প্রমীলা
৫৬. ‘বিধুমুখী’ কে?
ক) হেমবতী
খ) লক্ষ্মী
গ) প্রভাষা
ঘ) প্রমীলা
উত্তর: ঘ) প্রমীলা
৫৭. ‘হেমপাখা’ বলতে কী বোঝায়?
ক) হিমের পাখা
খ) হিমালয়ের পাখা
গ) সোনার পাখা
ঘ) হেমবতীর পাখা
উত্তর: গ) সোনার পাখা
৫৮. ‘মৈনাক’ কার পুত্র?
ক) মেনকার
খ) পার্বতীর
গ) মনুর
ঘ) মনসার
উত্তর: ক) মেনকার
৫৯. ‘শিঞ্জিনী’ শব্দের অর্থ কী?
ক) বজ্রের শব্দ
খ) মেঘের শব্দ
গ) সমুদ্রের শব্দ
ঘ) ধনুকের ছিলার শব্দ
উত্তর: ঘ) ধনুকের ছিলার শব্দ
৬০. ইন্দ্রজিতের আকাশপথে রথযাত্রাকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক) গরুড়ের উড়ান
খ) মেঘের উড়ান
গ) মৈনাক শৈলের উড়ান
ঘ) বাজপাখির উড়ান
উত্তর: গ) মৈনাক শৈলের উড়ান
৬১. ‘পক্ষীন্দ্র’ কে?
ক) বাজপাখি
খ) ঈগল
গ) ময়ূর
ঘ) গরুড়
উত্তর: ঘ) গরুড়
৬২. ইন্দ্রজিতের ধনুকের টংকারে কী কেঁপে উঠেছিল?
ক) শুধু লঙ্কা
খ) শুধু জলধি
গ) লঙ্কা ও জলধি
ঘ) অশোককানন
উত্তর: গ) লঙ্কা ও জলধি
৬৩. “সাজিছে রাবণরাজা, ______ মাতি” – শূন্যস্থান পূরণ করো।
ক) বীরমদে
খ) উল্লাসে
গ) প্রতিহিংসায়
ঘ) অহংকারে
উত্তর: ক) বীরমদে
৬৪. নিচের কোনটি রণবাদ্য নয়?
ক) পিয়ানো
খ) তূরি
গ) দামামা
ঘ) দুন্দুভি
উত্তর: ক) পিয়ানো
৬৫. ‘কৌশিক-ধ্বজ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) কুশ-চিহ্নিত পতাকা
খ) চক্রচিহ্নিত পতাকা
গ) সাদা পতাকা
ঘ) রেশমি পতাকা
উত্তর: ঘ) রেশমি পতাকা
৬৬. “দ্রুতগতি উতরিলা” – কে এসেছিলেন?
ক) রাবণ
খ) লক্ষ্মণ
গ) মেঘনাদ
ঘ) মাতঙ্গ
উত্তর: গ) মেঘনাদ
৬৭. ‘কর্বুরদল’ বলতে কী বোঝায়?
ক) সৈন্য
খ) রাক্ষস
গ) বানর
ঘ) যোদ্ধা
উত্তর: খ) রাক্ষস
৬৮. পিতা-পুত্র কারা?
ক) দুষ্মন্ত ও ভরত
খ) শিব ও কার্তিক
গ) হিমালয় ও মৈনাক
ঘ) রাবণ ও ইন্দ্রজিৎ
উত্তর: ঘ) রাবণ ও ইন্দ্রজিৎ
৬৯. “মরিয়া নাকি বাঁচিয়াছে পুনঃ রাঘব?” – বক্তা কে?
ক) ইন্দ্রজিৎ
খ) প্রমীলা
গ) রাবণ
ঘ) কালনেমি
উত্তর: ক) ইন্দ্রজিৎ
৭০. রামচন্দ্র পুনরায় জীবিত হয়েছেন – এই সংবাদ ইন্দ্রজিৎ কার কাছ থেকে পেয়েছিলেন?
ক) প্রমীলা
খ) বিভীষণ
গ) কুললক্ষ্মী
ঘ) প্রভাষা
উত্তর: গ) কুললক্ষ্মী
৭১. ‘পামর’ শব্দের অর্থ কী?
ক) রামচন্দ্র
খ) পাপিষ্ঠ ব্যক্তি
গ) বানরসেনা
ঘ) চাকর
উত্তর: খ) পাপিষ্ঠ ব্যক্তি
৭২. ইন্দ্রজিৎ কাকে নির্মূল করতে চেয়েছিলেন?
ক) বিভীষণ
খ) লক্ষ্মণ
গ) রামচন্দ্র
ঘ) হনুমান
উত্তর: গ) রামচন্দ্র
৭৩. ইন্দ্রজিৎ কীসের অনুমতি চেয়েছিলেন?
ক) সন্ধির
খ) সীতামুক্তির
গ) শত্রু নিধনের
ঘ) প্রমোদকাননে যাওয়ার
উত্তর: গ) শত্রু নিধনের
৭৪. ইন্দ্রজিৎ কোন অস্ত্র ব্যবহারের কথা বলেছিলেন?
ক) ব্রহ্মাস্ত্র
খ) অগ্নিবাণ
গ) সুদর্শন চক্র
ঘ) বায়ু-অস্ত্র
উত্তর: ঘ) বায়ু-অস্ত্র
৭৫. ‘কুমার’ কাকে বলা হয়েছে?
ক) কুম্ভকর্ণ
খ) ইন্দ্রজিৎ
গ) বীরবাহু
ঘ) তরণীসেন
উত্তর: খ) ইন্দ্রজিৎ
৭৬. রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কী বলে সম্বোধন করেছিলেন?
ক) রক্ষঃচূড়ামণি
খ) রাক্ষস-কুল-রত্ন
গ) রাক্ষস-কুল-শেখর
ঘ) কর্বুরদল প্রধান
উত্তর: গ) রাক্ষস-কুল-শেখর
৭৭. ‘রাক্ষস-কুল-শেখর’ কে?
ক) রাবণ
খ) রাম
গ) ইন্দ্রজিৎ
ঘ) বীরবাহু
উত্তর: গ) ইন্দ্রজিৎ
৭৮. “লোক মরি পুনঃ বাঁচে?” – উক্তিটি কার?
ক) রাবণ
খ) ইন্দ্রজিৎ
গ) ভগবতী
ঘ) বীরবাহু
উত্তর: ক) রাবণ
৭৯. ‘অসুরারি-রিপু’ কাকে বলা হয়েছে?
ক) লক্ষ্মণ
খ) বীরবাহু
গ) ইন্দ্রজিৎ
ঘ) রাবণ
উত্তর: গ) ইন্দ্রজিৎ
৮০. ‘সে নর’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) লক্ষ্মণ
খ) রামচন্দ্র
গ) সুগ্রীব
ঘ) জাম্বুবান
উত্তর: খ) রামচন্দ্র
৮১. “থাকিতে দাস” – ‘দাস’ কে?
ক) বিভীষণ
খ) হনুমান
গ) বীরবাহু
ঘ) ইন্দ্রজিৎ
উত্তর: ঘ) ইন্দ্রজিৎ
৮২. “এ ______ পিতঃ ঘুষিবে জগতে” – শূন্যস্থান পূরণ করো।
ক) বদনাম
খ) কালিমা
গ) শোভা
ঘ) কলঙ্ক
উত্তর: ঘ) কলঙ্ক
৮৩. “______ আমি হারানু রাঘবে” – কতবার রামকে পরাস্ত করার কথা বলা হয়েছে?
ক) একবার
খ) দুইবার
গ) তিনবার
ঘ) পাঁচবার
উত্তর: খ) দুইবার
৮৪. কুম্ভকর্ণ কেমন ছিলেন?
ক) ভোজনবিলাসী
খ) নিদ্রাবিলাসী
গ) সৌন্দর্যপ্রিয়
ঘ) যুদ্ধবিলাসী
উত্তর: খ) নিদ্রাবিলাসী
৮৫. কাকে অকালে জাগানো হয়েছিল?
ক) ইন্দ্রজিৎ
খ) বীরবাহু
গ) কুম্ভকর্ণ
ঘ) রাবণ
উত্তর: গ) কুম্ভকর্ণ
৮৬. কার দেহ সমুদ্রতীরে পড়ে ছিল?
ক) বীরবাহু
খ) রামচন্দ্র
গ) কুম্ভকর্ণ
ঘ) বিভীষণ
উত্তর: গ) কুম্ভকর্ণ
৮৭. কুম্ভকর্ণের দেহকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক) পর্বত বা বৃক্ষ
খ) নদী
গ) মেঘ
ঘ) সমুদ্র
উত্তর: ক) পর্বত বা বৃক্ষ
৮৮. রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কখন যুদ্ধ করতে বলেছিলেন?
ক) অপরাহ্নে
খ) প্রদোষকালে
গ) প্রভাতে
ঘ) রাতে
উত্তর: গ) প্রভাতে
৮৯. ইন্দ্রজিতের ইষ্টদেব কে?
ক) অগ্নিদেব
খ) মহাদেব
গ) বরুণ
ঘ) ব্রহ্মা
উত্তর: ক) অগ্নিদেব
৯০. কোন যজ্ঞ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছিল?
ক) রাজসূয়
খ) অশ্বমেধ
গ) বাজপেয়
ঘ) নিকুম্ভিলা যজ্ঞ
উত্তর: ঘ) নিকুম্ভিলা যজ্ঞ
৯১. রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কোন পদে অভিষিক্ত করেছিলেন?
ক) সেনাপতি
খ) যুবরাজ
গ) রাজাধিরাজ
ঘ) রাজবৈদ্য
উত্তর: ক) সেনাপতি
৯২. ইন্দ্রজিতের অভিষেক কী দিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল?
ক) বিশ্বপত্র
খ) দধিদুগ্ধ
গ) গব্যোদক
ঘ) পাদোদক
উত্তর: গ) গব্যোদক
অভিষেক কবিতার অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
১. ‘অভিষেক’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘অভিষেক’ শব্দের অর্থ হল পবিত্র জল দিয়ে স্নান করিয়ে কোনো ব্যক্তি বা দেবতাকে নির্দিষ্ট পদে প্রতিষ্ঠা করার অনুষ্ঠান। ‘অভি’ ও ‘সিচ্’ ধাতুর সমন্বয়ে শব্দটির উৎপত্তি।
২. ইন্দ্রজিৎ কেন কনক-আসন ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে দেবী লক্ষ্মী তাঁর সামনে উপস্থিত হলে তাঁকে সম্মান জানানোর জন্য ইন্দ্রজিৎ সোনার আসন ত্যাগ করেছিলেন।
৩. ধাত্রীর প্রকৃত পরিচয় কী?
উত্তর: ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে এসেছিলেন দেবী লক্ষ্মী।
৪. ইন্দ্রজিৎ কেন ধাত্রীর পায়ে প্রণাম করেছিলেন?
উত্তর: ধাত্রী প্রভাষা তাঁকে ছোটবেলা থেকে মাতৃস্নেহে লালন করেছিলেন। তাই শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য ইন্দ্রজিৎ তাঁর পায়ে প্রণাম করেন।
৫. লক্ষ্মী কেন ইন্দ্রজিতের কাছে এসেছিলেন?
উত্তর: লঙ্কার দুরবস্থা, বীরবাহুর মৃত্যু এবং রাবণের যুদ্ধযাত্রার সংবাদ জানিয়ে ইন্দ্রজিৎকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করতেই লক্ষ্মী তাঁর কাছে এসেছিলেন।
৬. লঙ্কার কী দুরবস্থার কথা জানানো হয়েছিল?
উত্তর: রামচন্দ্রের আক্রমণে লঙ্কা বিপর্যস্ত হয়েছিল, একের পর এক বীর মারা যাচ্ছিলেন এবং বীরবাহুও নিহত হয়েছিলেন।
৭. বীরবাহু কে?
উত্তর: বীরবাহু ছিলেন রাবণের পুত্র এবং ইন্দ্রজিতের ভাই। তিনি অত্যন্ত পরাক্রমশালী যোদ্ধা ছিলেন।
৮. রাবণ কেন শোকাহত হয়েছিলেন?
উত্তর: পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুতে রাবণ গভীরভাবে শোকাহত হয়েছিলেন।
৯. রাবণ কীভাবে শোক ভুলতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে নিজেই যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাবণ শোককে শক্তিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।
১০. ‘প্রিয়ানুজ’ কে?
উত্তর: ‘প্রিয়ানুজ’ বলতে ইন্দ্রজিতের প্রিয় ছোট ভাই বীরবাহুকে বোঝানো হয়েছে।
১১. ‘রত্নাকর রত্নোত্তমা’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: দেবী লক্ষ্মীকে ‘রত্নাকর রত্নোত্তমা’ বলা হয়েছে।
১২. রামচন্দ্রের পুনর্জীবনকে ইন্দ্রজিৎ কেন অদ্ভুত মনে করেছিলেন?
উত্তর: ইন্দ্রজিৎ পূর্বে রামচন্দ্রকে মৃত ভেবেছিলেন। পরে সেই রামচন্দ্রই জীবিত হয়ে বীরবাহুকে হত্যা করেছেন জানতে পেরে তিনি বিস্মিত হন।
১৩. ‘রক্ষঃচূড়ামণি’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: রাবণপুত্র ইন্দ্রজিৎকে ‘রক্ষঃচূড়ামণি’ বলা হয়েছে।
১৪. ‘কালসমর’ কী?
উত্তর: লঙ্কার পক্ষে ভয়ংকর ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধকে ‘কালসমর’ বলা হয়েছে।
১৫. ইন্দ্রজিৎ কেন নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন?
উত্তর: লঙ্কা যখন বিপদের মধ্যে এবং বীরবাহু নিহত, তখন তিনি প্রমোদকাননে বিলাসে ছিলেন। নিজের এই আচরণকে অনুচিত মনে করেই নিজেকে ধিক্কার দেন।
১৬. ‘দশাননাত্মজ’ কে?
উত্তর: রাবণের পুত্র ইন্দ্রজিৎ।
১৭. ইন্দ্রজিৎ কেন যুদ্ধসাজে সজ্জিত হয়েছিলেন?
উত্তর: ভাই বীরবাহুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া এবং লঙ্কার সম্মান রক্ষা করার জন্য তিনি যুদ্ধসাজে সজ্জিত হন।
১৮. ইন্দ্রজিতের যুদ্ধসাজের সঙ্গে কাদের তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: কার্তিকের তারকাসুর-বধ এবং বৃহন্নলারূপী অর্জুনের গোধন উদ্ধারের সঙ্গে ইন্দ্রজিতের যুদ্ধসাজের তুলনা করা হয়েছে।
১৯. বৃহন্নলারূপী কিরীটী কে?
উত্তর: অজ্ঞাতবাসের সময় বৃহন্নলার ছদ্মবেশ ধারণকারী অর্জুনই ‘বৃহন্নলারূপী কিরীটী’।
২০. ‘ধনি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ধনি শব্দের অর্থ সুন্দরী নারী।
২১. প্রমীলা কে?
উত্তর: প্রমীলা হলেন মেঘনাদ বা ইন্দ্রজিতের স্ত্রী। চরিত্রটি মাইকেল মধুসূদনের কাব্যিক সৃষ্টির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২২. প্রমীলা কেন নিজেকে ‘অভাগী’ বলেছেন?
উত্তর: স্বামী ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধে চলে গেলে তাঁর বিরহে একাকিত্ব ও দুঃখ সহ্য করতে হবে বলে প্রমীলা নিজেকে অভাগী বলেছেন।
২৩. ‘কিঙ্করী’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: প্রমীলা নিজেকে স্বামীর কিঙ্করী বা সেবিকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
২৪. ইন্দ্রজিৎ প্রমীলাকে কী আশ্বাস দিয়েছিলেন?
উত্তর: তিনি যুদ্ধ শেষে দ্রুত ফিরে আসবেন বলে প্রমীলাকে আশ্বস্ত করেছিলেন।
২৫. ‘বিধুমুখী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: যার মুখ চাঁদের মতো সুন্দর, তাকে বিধুমুখী বলা হয়। এখানে প্রমীলাকে এই নামে সম্বোধন করা হয়েছে।
২৬. ‘হেমপাখা’ কী?
উত্তর: হেমপাখা বলতে সোনার ডানা বোঝানো হয়েছে।
২৭. মৈনাক কে?
উত্তর: মৈনাক হলেন মেনকার পুত্র। হনুমানের সমুদ্র অতিক্রমের কাহিনিতে তাঁর উল্লেখ রয়েছে।
২৮. ‘শিঞ্জিনী’ কী?
উত্তর: শিঞ্জিনী বলতে ধনুকের ছিলাকে বোঝানো হয়েছে।
২৯. ‘কর্বুরদল’ কী?
উত্তর: রাক্ষসদের সৈন্যদলকে কর্বুরদল বলা হয়েছে।
৩০. ‘পামর’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পামর অর্থ নীচ বা পাপিষ্ঠ ব্যক্তি।
৩১. ইন্দ্রজিৎ রামচন্দ্রকে কীভাবে পরাস্ত করতে চেয়েছিলেন?
উত্তর: তিনি বায়ু-অস্ত্র প্রয়োগ করে রামচন্দ্রকে পরাস্ত অথবা তাঁকে বন্দি করে আনার কথা বলেছিলেন।
৩২. রাবণ কেন ইন্দ্রজিৎকে নিয়ে চিন্তিত ছিলেন?
উত্তর: বারবার যুদ্ধে গিয়ে ইন্দ্রজিতের প্রাণ বিপন্ন হতে পারে বলে পিতা রাবণ চিন্তিত ছিলেন।
৩৩. ‘মেঘবাহন’ কে?
উত্তর: দেবরাজ ইন্দ্রকে ‘মেঘবাহন’ বলা হয়েছে।
৩৪. অগ্নিদেব কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: ইন্দ্রজিতের ইষ্টদেব ছিলেন অগ্নিদেব। নিকুম্ভিলা যজ্ঞের মাধ্যমে ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের জন্য বিশেষ শক্তি লাভ করতেন বলে কাব্যে উল্লেখ রয়েছে।
৩৫. রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কী পদে অভিষিক্ত করেন?
উত্তর: রাবণ ইন্দ্রজিৎকে লঙ্কার সেনাপতি পদে অভিষিক্ত করেন।
অভিষেক কবিতার ৩ নম্বরের প্রশ্ন উত্তর
১. “কনক-আসন ত্যাজি, বীরেন্দ্রকেশরী” – বীরেন্দ্রকেশরী কে? কেন তিনি আসন ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: ‘বীরেন্দ্রকেশরী’ হলেন ইন্দ্রজিৎ। প্রমোদকাননে অবস্থানকালে তিনি ধাত্রী প্রভাষাকে আসতে দেখেন। তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান জানানোর জন্য ইন্দ্রজিৎ নিজের সোনার আসন ত্যাগ করেন। এর মধ্যে তাঁর শ্রদ্ধা, ভদ্রতা ও কৃতজ্ঞতার পরিচয় পাওয়া যায়।
২. ‘অম্বুরাশি-সুতা’ কে? তিনি কী সংবাদ দিয়েছিলেন?
উত্তর: ‘অম্বুরাশি-সুতা’ হলেন দেবী লক্ষ্মী। তিনি প্রভাষার ছদ্মবেশে ইন্দ্রজিতের কাছে এসেছিলেন। তিনি জানান যে বীরবাহু রামচন্দ্রের হাতে নিহত হয়েছেন এবং লঙ্কা ভয়াবহ সংকটের মধ্যে রয়েছে। রাবণও নিজে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে তিনি জানান।
৩. ‘মহাবাহু’ কাকে বলা হয়েছে? তাঁর বিস্ময়ের কারণ কী?
উত্তর: ইন্দ্রজিৎকে ‘মহাবাহু’ বলা হয়েছে। তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন কারণ তিনি পূর্বে রামচন্দ্রকে যুদ্ধে পরাস্ত করেছিলেন। অথচ সেই রামচন্দ্রই পুনরায় জীবিত হয়ে বীরবাহুকে হত্যা করেছেন – এই ঘটনা তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
৪. ‘অদ্ভুত বার্তা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যু এবং রাবণের নিজে যুদ্ধ করতে যাওয়ার প্রস্তুতির সংবাদকে ইন্দ্রজিতের কাছে অদ্ভুত বার্তা বলা হয়েছে। কারণ ইন্দ্রজিৎ মনে করেছিলেন রামচন্দ্র ইতিমধ্যেই তাঁর হাতে পরাজিত হয়েছেন।
৫. ‘রক্ষঃচূড়ামণি’ কে? ‘কালসমর’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ‘রক্ষঃচূড়ামণি’ হলেন ইন্দ্রজিৎ। রামচন্দ্রের সঙ্গে চলা যুদ্ধে লঙ্কার বহু বীর নিহত হচ্ছিলেন। তাই এই ভয়ংকর যুদ্ধকে ‘কালসমর’ বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইন্দ্রজিৎকেই লঙ্কার প্রধান আশ্রয় হিসেবে দেখানো হয়েছে।
৬. “হা ধিক্ মোরে!” – ইন্দ্রজিৎ নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন কেন?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যুর সময় ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধক্ষেত্রে না থেকে প্রমোদকাননে বিলাসে ছিলেন। লঙ্কার এমন সংকটের সময়ে তাঁর এই বিলাসী জীবনযাপন নিজের কাছেই অন্যায় মনে হয়েছিল। তাই তিনি নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন।
৭. ‘রথীন্দ্রর্ষভ’ কে? তিনি কীভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন?
উত্তর: ‘রথীন্দ্রর্ষভ’ হলেন শ্রেষ্ঠ রথী ইন্দ্রজিৎ। তিনি যুদ্ধের জন্য অলংকার ত্যাগ করে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হন। তাঁর রথ ছিল মেঘবর্ণ, পতাকা ছিল ইন্দ্রচাপের মতো এবং রথের গতি ছিল অত্যন্ত দ্রুত।
৮. ‘হৈমবতীসুত’ কে? কোন পৌরাণিক ঘটনার উল্লেখ আছে?
উত্তর: ‘হৈমবতীসুত’ হলেন পার্বতীপুত্র কার্তিক। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী তারকাসুরের অত্যাচারে দেবতারা বিপর্যস্ত হলে শিব-পার্বতীর পুত্র কার্তিক দেবসেনাপতি হয়ে তারকাসুরকে বধ করেন। কবি ইন্দ্রজিতের যুদ্ধসাজের সঙ্গে এই ঘটনার তুলনা করেছেন।
৯. “কহিলা কাঁদিয়া ধনি” – ধনি কে?
উত্তর: ‘ধনি’ হলেন ইন্দ্রজিতের স্ত্রী প্রমীলা। স্বামী যুদ্ধে চলে যাওয়ায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন যে স্বামীর বিরহ তিনি সহ্য করতে পারবেন না।
১০. “কাঁপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি” – কেন?
উত্তর: ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধযাত্রার আগে ধনুকের ছিলায় প্রচণ্ড টংকার সৃষ্টি করেছিলেন। সেই ভয়ংকর শব্দের প্রতীকী অভিঘাতে লঙ্কা ও সমুদ্র কেঁপে ওঠার চিত্র কবি এঁকেছেন।
১১. রাবণ কেন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এবং রামচন্দ্রকে পরাস্ত করার উদ্দেশ্যে রাবণ নিজেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন।
১২. “এই কলঙ্ক, পিতঃ, ঘুষিবে জগতে” – বক্তা কেন এ কথা বলেছেন?
উত্তর: বক্তা ইন্দ্রজিৎ। তিনি মনে করেছিলেন, তিনি জীবিত থাকা সত্ত্বেও যদি বৃদ্ধ পিতাকে যুদ্ধে যেতে হয়, তাহলে তাঁর বীরত্ব প্রশ্নের মুখে পড়বে। এই কারণেই তিনি ‘কলঙ্ক’-এর কথা বলেছেন।
১৩. “কে কবে শুনেছে পুত্র, ভাসে শিলা জলে” – রাবণ কেন এ কথা বলেন?
উত্তর: রামচন্দ্রের মৃত্যু এবং পুনরায় জীবিত হওয়ার ঘটনা রাবণের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল। পাথর যেমন জলে ভাসে না, তেমন মৃত মানুষও সাধারণভাবে জীবিত হয় না। এই বিস্ময় থেকেই রাবণ কথাটি বলেছেন।
১৪. “হাসিবে মেঘবাহন” – মেঘবাহন কে? কেন হাসবেন?
উত্তর: মেঘবাহন হলেন দেবরাজ ইন্দ্র। একসময় ইন্দ্রজিতের কাছে ইন্দ্র পরাজিত ও বন্দি হয়েছিলেন। তাই ইন্দ্রজিৎ যদি এখন যুদ্ধ থেকে পিছিয়ে যান, তাহলে তাঁর সেই দুর্বলতাকে ইন্দ্র ব্যঙ্গ করবেন – এই আশঙ্কা থেকেই ‘হাসিবে মেঘবাহন’ বলা হয়েছে।
১৫. ‘ইষ্টদেব’ কে? কেন তাঁকে পূজা করতে বলা হয়েছিল?
উত্তর: ইন্দ্রজিতের ইষ্টদেব হলেন অগ্নিদেব। নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সম্পন্ন করে ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতেন। তাই রাবণ তাঁকে প্রথমে ইষ্টদেবের পূজা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
অভিষেক কবিতার ৫ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর
১. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া” – মহাবাহু কে? তিনি কেন বিস্মিত হয়েছিলেন?
উত্তর:
‘মহাবাহু’ বলা হয়েছে রাবণপুত্র ইন্দ্রজিৎকে।
ইন্দ্রজিৎ পূর্বে রামচন্দ্রের সঙ্গে যুদ্ধে তাঁকে পরাস্ত করেছিলেন। ফলে তাঁর মনে হয়েছিল রামচন্দ্র আর যুদ্ধ করার অবস্থায় নেই। কিন্তু প্রভাষার ছদ্মবেশে আসা দেবী লক্ষ্মীর কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর ভাই বীরবাহু রামচন্দ্রের হাতে নিহত হয়েছেন। যে রামচন্দ্রকে তিনি আগে পরাস্ত করেছিলেন, সেই রামচন্দ্র কীভাবে আবার জীবিত হয়ে বীরবাহুকে হত্যা করলেন – এই প্রশ্নই তাঁকে বিস্মিত করে।
তিনি তাই জানতে চান, তাঁর প্রিয় ভাইকে কখন এবং কে হত্যা করেছে। লক্ষ্মীর কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে রামচন্দ্র পুনরায় জীবিত হয়েছেন এবং লঙ্কা ভয়াবহ সংকটে পড়েছে।
২. “এ বারতা, এ অদ্ভুত বারতা” – কোন বার্তাকে অদ্ভুত বলা হয়েছে?
উত্তর:
ইন্দ্রজিৎ জানতে পারেন যে বীরবাহু রামচন্দ্রের হাতে নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি জানতে পারেন যে লঙ্কেশ্বর রাবণ নিজেই রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
এই সংবাদ ইন্দ্রজিতের কাছে অদ্ভুত কারণ তিনি আগে রামচন্দ্রকে পরাস্ত করেছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল রামচন্দ্রের পক্ষে পুনরায় যুদ্ধে ফিরে আসা সম্ভব নয়। কিন্তু রামচন্দ্র আবার জীবিত হয়ে বীরবাহুকে হত্যা করেছেন – ঘটনাটি তাই তাঁর কাছে রহস্যময় ও বিস্ময়কর মনে হয়।
৩. “এই কি সাজে আমারে, দশাননাত্মজ আমি ইন্দ্রজিৎ” – প্রসঙ্গ ও তাৎপর্য লেখো।
উত্তর:
বীরবাহুর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ইন্দ্রজিৎ নিজের অবস্থার কথা ভাবতে শুরু করেন। লঙ্কা বিপদের মধ্যে, তাঁর ভাই নিহত এবং পিতা নিজে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অথচ তিনি তখন প্রমোদকাননে বিলাসে মগ্ন ছিলেন।
এই উপলব্ধিতে তিনি নিজের ওপর ক্রুদ্ধ হন। গলার ফুলের মালা ছিঁড়ে ফেলেন এবং অলংকার দূরে সরিয়ে রাখেন। তিনি উপলব্ধি করেন, তাঁর মতো রাক্ষসকুলের শ্রেষ্ঠ বীরের কাছে এই বিলাসিতা মানায় না।
উক্তিটির মাধ্যমে তাঁর বীরত্ববোধ, আত্মসমালোচনা, বংশগৌরব, দায়িত্ববোধ এবং প্রতিশোধস্পৃহা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. “বিদায় এবে দেহ, বিধুমুখী” – বক্তা কার কাছে বিদায় চেয়েছেন?
উত্তর:
ইন্দ্রজিৎ তাঁর স্ত্রী প্রমীলার কাছে বিদায় চেয়েছেন।
বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ পাওয়ার পর ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন। তিনি রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক যুদ্ধে যেতে চান। তখন প্রমীলা স্বামীকে থামানোর চেষ্টা করেন। তিনি জানান, স্বামীর বিরহে তাঁর পক্ষে বেঁচে থাকা কঠিন।
প্রমীলা নিজের অবস্থাকে এমন এক লতার সঙ্গে তুলনা করেন, যা বৃহৎ বৃক্ষকে আঁকড়ে ধরে থাকে। তাঁর কথায় দাম্পত্যপ্রেম ও বিচ্ছেদের ভয় প্রকাশ পায়। কিন্তু ইন্দ্রজিৎ কর্তব্য থেকে সরে দাঁড়াননি। তিনি প্রমীলাকে আশ্বস্ত করেন যে যুদ্ধ শেষে দ্রুত ফিরে আসবেন।
৫. “নমি পুত্র পিতার চরণে” – পিতা ও পুত্রের কথোপকথন সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর:
এখানে পিতা হলেন লঙ্কেশ্বর রাবণ এবং পুত্র হলেন ইন্দ্রজিৎ।
ইন্দ্রজিৎ পিতার কাছে এসে জানতে চান রামচন্দ্র সত্যিই আবার জীবিত হয়েছেন কি না। রাবণ ঘটনাটি সত্য বলে জানান। তখন ইন্দ্রজিৎ শত্রুদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করার সংকল্প প্রকাশ করেন।
রাবণ পুত্রের বীরত্বের প্রশংসা করলেও তাঁকে নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি বারবার পুত্রকে যুদ্ধে পাঠাতে চান না। ইন্দ্রজিৎ পিতাকে বোঝান যে রামচন্দ্র একজন মানুষ মাত্র এবং তাঁকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।
ইন্দ্রজিৎ আবার যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি চান। শেষ পর্যন্ত রাবণ তাঁর বীরত্বে আস্থা রেখে তাঁকে সেনাপতি পদে অভিষিক্ত করেন এবং নিকুম্ভিলা যজ্ঞ সম্পন্ন করে পরদিন প্রভাতে যুদ্ধযাত্রার নির্দেশ দেন।
৬. “হায়, বিধি বাম মম প্রতি” – রাবণের এই আক্ষেপের কারণ কী?
উত্তর:
এই উক্তির বক্তা লঙ্কেশ্বর রাবণ। তিনি পুত্র ইন্দ্রজিতের কাছে নিজের দুর্ভাগ্যের কথা প্রকাশ করেছেন।
রাবণের একের পর এক বীর যোদ্ধা নিহত হচ্ছিলেন। বীরবাহুর মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। অন্যদিকে রামচন্দ্রের মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হওয়ার ঘটনাও তাঁর কাছে রহস্যময় মনে হয়েছিল।
তিনি বুঝতে পারছিলেন না কেন লঙ্কার মতো শক্তিশালী রাজ্য একের পর এক বিপদের মুখে পড়ছে। নিজের প্রিয় পুত্র ইন্দ্রজিতের জীবন নিয়েও তিনি আশঙ্কিত ছিলেন। এই সমস্ত দুঃখ ও অনিশ্চয়তার কারণেই তিনি মনে করেছিলেন ভাগ্য তাঁর বিপক্ষে।
‘অভিষেক’ কবিতার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র
ইন্দ্রজিৎ
ইন্দ্রজিৎ ‘অভিষেক’ কাব্যাংশের অন্যতম প্রধান চরিত্র। তিনি রাবণের পুত্র এবং রাক্ষসকুলের শ্রেষ্ঠ বীর। দেবরাজ ইন্দ্রকে পরাজিত ও বন্দি করার কারণে তাঁর নাম হয় ইন্দ্রজিৎ। তাঁর চরিত্রে বীরত্ব, পিতৃভক্তি, আত্মমর্যাদা এবং দেশরক্ষার দায়িত্ববোধ স্পষ্ট।
রাবণ
রাবণ লঙ্কার রাজা এবং ইন্দ্রজিতের পিতা। তিনি একদিকে পরাক্রমশালী রাজা, অন্যদিকে সন্তানের প্রতি গভীর স্নেহশীল পিতা। বীরবাহুর মৃত্যুতে তাঁর শোক এবং ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ চরিত্রটিকে মানবিক করে তুলেছে।
প্রমীলা
প্রমীলা ইন্দ্রজিতের স্ত্রী। তাঁর চরিত্রে স্বামীর প্রতি গভীর ভালোবাসা, আবেগ এবং দাম্পত্যনিষ্ঠা প্রকাশ পেয়েছে। ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলে তিনি স্বামীর বিরহের আশঙ্কায় কাতর হয়ে ওঠেন।
দেবী লক্ষ্মী
দেবী লক্ষ্মী প্রভাষার ছদ্মবেশে ইন্দ্রজিতের কাছে উপস্থিত হন। তিনি লঙ্কার সংকটের কথা জানান এবং ইন্দ্রজিৎকে যুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করেন।
অভিষেক কবিতা থেকে পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
১. ইন্দ্রজিৎকে কেন ‘ইন্দ্রজিৎ’ বলা হয়
২. ‘অম্বুরাশি-সুতা’ ও ‘রক্ষঃচূড়ামণি’-এর পরিচয়
৩. বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদে ইন্দ্রজিতের প্রতিক্রিয়া
৪. ইন্দ্রজিতের আত্মধিক্কারের কারণ
৫. প্রমীলা ও ইন্দ্রজিতের দাম্পত্য সম্পর্ক
৬. ‘বৃহন্নলারূপী কিরীটী’-র পরিচয়
৭. ‘হৈমবতীসুত’-এর পরিচয়
৮. রাবণ ও ইন্দ্রজিতের কথোপকথন
৯. রাবণের আক্ষেপের কারণ
১০. ইন্দ্রজিতের সেনাপতি পদে অভিষেক
Frequently Asked Questions
| প্রশ্ন | উত্তর |
|---|---|
| ‘অভিষেক’ কার লেখা? | মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা। |
| ‘অভিষেক’ কোন কাব্যের অংশ? | মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গের অংশ। |
| ইন্দ্রজিতের স্ত্রী কে? | প্রমীলা। |
| ইন্দ্রজিৎ কাকে বন্দি করেছিলেন? | দেবরাজ ইন্দ্রকে। |
| বীরবাহু কে? | রাবণের পুত্র ও ইন্দ্রজিতের ভাই। |
| রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কোন পদে অভিষিক্ত করেন? | সেনাপতি পদে। |
| ইন্দ্রজিতের ইষ্টদেব কে? | অগ্নিদেব। |
| কোন যজ্ঞ করতে বলা হয়েছিল? | নিকুম্ভিলা যজ্ঞ। |
| ‘বিধুমুখী’ কাকে বলা হয়েছে? | প্রমীলাকে। |
| ‘মেঘবাহন’ কে? | দেবরাজ ইন্দ্র। |
উপসংহার
মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষার জন্য অভিষেক কবিতার প্রশ্ন উত্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাব্যাংশে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইন্দ্রজিতের বীরত্বের পাশাপাশি তাঁর পিতৃভক্তি, আত্মমর্যাদা, দায়িত্ববোধ এবং প্রমীলার প্রতি ভালোবাসাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে রাবণের পিতৃস্নেহ ও দুর্ভাগ্যের আক্ষেপও কাব্যাংশটিকে গভীরতা দিয়েছে।
পরীক্ষার আগে MCQ-এর পাশাপাশি ৩ ও ৫ নম্বরের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখার অভ্যাস করলে প্রস্তুতি আরও ভালো হবে।